গোবিন্দগঞ্জে উত্তরপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করলো কাজল আদালতে জবানবন্দি

201
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দাখিলেরবাংলা ১ম পত্র পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অতিরিক্ত উত্তরপত্র সহ পুলিশের হাতেআটক হওয়া কাজল আদালতে নিজের দায় স্বীকার করেছে। সেই সাথে তারসাথে জড়িত একটি সংঘবন্ধ চক্রের তথ্য দিয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায়জবানবন্দি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকালে গোবিন্দগঞ্জ চৌকিআদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পার্থ ভদ্রের নিকটউত্তরপত্র বাহিরে নিয়ে আসার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয় সে।জবানবন্দিতে কাজল জানায়, একটি চক্র প্রশ্নপত্র ফাঁস ও উত্তরপত্র বাহিরেনিয়ে এসে দীর্ঘদিন ধরে পুরণ করে তা ভিতরে সরবরাহ করে আসছিলো।এই চক্রের প্রলোভনে চলতি দাখিল পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন থেকে সে এই চক্রেজড়িয়ে পড়ে। ওই দিন ৩৪টি উত্তরপত্র চক্রটি তার তালাবন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকাজল ডিজিটাল স্টুডিও এন্ড ফটোস্ট্যাটে সরবারহ করে। পরে তাকে ওইদিনের পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলো জানিয়ে দেয়া হয়। কাজল উত্তরপত্রসরবরাহকারী চক্রের অন্য সদস্যদের তথ্য জবানবন্দিতে জানায়।গোবিন্দগঞ্জর অফিসার ইনচার্জ ও এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তামজিবুর রহমান পিপিএম জানান, কাজলের জবানবন্দির উপর ভিত্তি করেপ্রশ্ন ফাঁস ও অতিরিক্ত উত্তরপত্র সরবারহের চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারেপুলিশ জোর তৎপড়তা চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে পুলিশ রাতেই এই চক্রের আরোএক সদস্য কে গ্রেফতার করে। তিনি আরো জানান, সুষ্ঠু বিচারেরস্বার্থে মামলার পর্যন্ত আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ ৭ ফেব্ধসঢ়;রুয়ারি দাখিল বাংলা ১ম পত্রপরীক্ষা চলাকালীন উপজেলার কামদিয়া থেকে ৩৪টি অতিরিক্ত উত্তরপত্র সহকামদিয়া ইউনিয়নের আয়েজাবাদ গ্রামের ওয়াহেদুল মিয়ার ছেলেফটোস্ট্যাট ব্যবসায়ী কাজল কে গ্রেফতার করে। পরে কাজলের দেয়া তথ্যমতে চক মানিকপুর দাখিল মাদরাসার লাইব্রেরীয়ান শাহীনকেও গ্রেফতারকরা হয়।