সব্জি বিক্রি থেকে পদ্মশ্রী জয়ী

544
gb

মধুলীনা কলকাতা ||জিবি নিউজ টোয়েন্টিফোর ||

ইচ্ছা থাকলে সব অসম্ভবকেই জয় করা যায়। এইরকমই উদাহরণ হয়ে থাকলেন সুভাষিণী মিস্ত্রি। হ্যাঁ, একটা অচেনা নাম। কিন্তু তাঁর কাজটা বড়ো হয়ে গেল সবার কাছে। একসময়ের সবজি বিক্রেতা আজ এক হাসপাতালের মালিক। তবে এই হাসপাতালের সঙ্গে বাকি হাসপাতালের চারিত্রিক মিল থাকলেও মিল নেই এক জায়গায়। এই হাসপাতাল তৈরি হয়েছে শুধুমাত্র গরিবদের বিনামূল্যে পরিষেবা দেওয়ার জন্য।

আজ থেকে বহু বছর আগে সুভাষিণী মিস্ত্রির স্বামী মারা যান বিনা চিকিৎসায়। দুই মেয়ে এবং দুই ছেলেকে নিয়ে অভাবের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে আসা সুভাষিণী চেয়েছিলেন আর কেউ যেন বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়। তাই অদম্য ইচ্ছাশক্তির উপরে ভর করে সুভাষিণী লড়াই চালিয়ে গেছেন। একসময়ে পার্ক সার্কাসে সবজিও বিক্রি করতেন।

অবশেষে ১৯৯৫ সালে ঠাকুরপুকুর-হাঁসপুকুর রোডে ‘হিউম্যানিটি হাসপাতাল’ নামে একটি হাসপাতাল তৈরি করেন। এখানে গরিবদের বিনামূল্যে চিকিৎসা করা হয়। সেই সময়ে হাসপাতালের বেড সংখ্যা ছিল ১০, যার বর্তমান সংখ্যা ৪৫। আছে আইসিসিইউ-এর ব্যবস্থাও।

তাঁর এই মহৎ কাজের জন্য সুভাষিনি দেবী পেলেন পদ্মশ্রী সম্মান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক গতকালই সুভাষিণী মিস্ত্রির হাতে তুলে দেয় পুরস্কার। পুরস্কার পেয়ে স্বভাবতই খুব খুশি সুভাষিণী দেব। যোগ্য কাজের যোগ্য সন্মান ।