সাপাহারে মদিনা মুসলিম ট্রেডিং লিমিটেড এর এম.ডির বিরুদ্ধে সদস্যর সঞ্চয়ী টাকা আত্বসাতের অভিযোগ

280
gb

 

হাফিজুল হক সাপাহার নওগাঁ প্রতিনিধি||

নওগাঁর সাপাহারে মদিনা মুসলিমট্রেডিং লিমিটেড গ্রাহকের সঞ্চয়ী টাকা আত্বসাতের অভিযোগ তুলে ইউপিগ্রাম আদালতে মামলা ।মদিনা মুসলিম ট্রেডিং লিমিটেড নামক এক সংস্থার প্রতারনার শিকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে ৪৫০ অসহায় সঞ্চয়ী মহিলা সদস্য।কিস্তির টাকাদেয়ার নামে উপজেলার গোয়ালা ইউনিয়নের সদর সহ বিভিন্ন গ্রামের মহিলাদেরসদস্য বানিয়ে সঞ্চয়ী টাকা, সংস্থার এম. ডি ফারুক হোসেন আতœসাত করারঅভিযোগ তুলে গোয়ালা ইউপি গ্রাম আদালতে অভিযোগ করেছে সমিতিরসদস্য এবং ভূক্তভোগী সাধারন গ্রাহকরা।তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, ২০১৪ সালে নিবন্ধন নং-সি ১১৬৬৬৯/১৪ দেখিয়েএম.ডি ফারুক হোসেন সাপাহার উপজেলার সদর ও গোয়ালা ইউনিয়নে দিঘীরহাটে অব্দুর রহমানের বাসায় অফিস ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে। গ্রাহকদেরকিস্তির টাকা দিয়ে প্রতিদিন কিস্তি আদায় করবে বলে ঐ এলাকার সহস সরলমহিলাদের সদস্য বানিয়ে প্রতারনার জালে ফেলে তাদের সঞ্চয়ী লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়েনিয়ে কিছুকর্মী ছাঁটায় করে তাদের উপর মিথ্যা দোষ চাঁপানোর অপচেষ্ঠাচালিয়ে যাচ্ছেবিষয়েসংস্থাগোয়ালাগ্রামেরসদস্যনাছরিন,ফেরদুসী,ছেলিনা,আকতারা,সাহেলা,ছকিনা,জোসনা,ময়না,রহিমা,সেলিনা,রোনা,আছমা,তকেরা,নাছিমা সহ প্রায় ১০০ মহিলা সদস্যর সাথেসাংবাদিকদের কথা হলে তারা জানান আমাদের বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়েমদিনা মুসলিম ট্রেডিং লিমিটেড নামক ঐ সংস্থার এম.ডি ফারুক হোসেনদিনের পর দিন পার করে আমাদের নিকটে থাকা পাশবহি হাতিয়ে নিয়ে অস্বিকার
করেছে।এ বিষয়ে গোয়ালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোকলেছুর রহমান (মুকুল)জানানসংস্থার প্রতারনার অভিযোগ আমার কাছে আছে তবে আমি শুধুমাত্র রিসিভপেয়েছি পাশবহি পেলে জানা যাবে আসল সত্য ঘটনা। মদিনা মুসলিম ট্রেডিংলিমিটেড সংস্থার প্রান্তন কর্মী রোকছানা জানান বিষয়টি সম্পন্ন সত্য এবংপাশবই গুলো এমডি লুকায়ে রেখেছে। প্রান্তন কর্মী ফিরোজ জানান সদস্যদেরটাকা আত্বসাত করার লক্ষে আমার উপর মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে যাতে করেসদস্যরা মনে করেন সে চাকরী হতে টাকাগুলো নিয়ে গেছে আসলে তা সত্য নয়
এম.ডির নিজেই তা প্রতারনা করেছে।এম.ডি ফারুক এর সাথে কথা হলে সাংবাদিকদের জানান আমার বা আমারকম্পানীর পক্ষ হতে সদস্যদের টাকা আত্বসাতের কোন প্রশ্নই আসে না কারনআমার ঐ এলাকায় চার লক্ষাধীক লোন দেয়া আছে আর সংস্থার নিকট হতে সদস্যরাআনুমানিক ৫৬ হাজার টাকা মাত্র পাইবে আমার অফিস চালু রয়েছে সদস্যরা ফেরতনিলে আমি ফেরত দিতে বাধ্য থাকিব তবে আমি যে অভিযোগ ইউপি পরিষদে করেছি তা আসল সত্য ঘটনা যা আমার কাছে প্রমান আছে ।