সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত গরীবের ডাক্তার খ্যাত

244
gb

জিবিনিউজ24 ডেস্ক || 

হেল্ধসঢ়;থ কেয়ার প্রোভাইডার

পাইকগাছায় ৩ লাখ গ্রামীন জনগোষ্ঠীর
স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

রাখছে কমিউনিটি ক্লিনিক

মোঃ আব্দুল আজিজ, পাইকগাছা \
পাইকগাছায় প্রায় ৩ লাখ গ্রামীন জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে ৩৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক। ক্লিনিকের মাধ্যমে
সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হলেও ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি ক্লিনিকে
কর্মরত গরীবের ডাক্তার খ্যাত কমিউনিটি হেল্ধসঢ়;থ কেয়ার প্রোভাইডারদের।
যোগদানের পর হতে একই বেতন-ভাতা উত্তোলন করছে তারা। গত ৭ বছরেও চাকুরি
জাতীয়করণ না হওয়ায় যেমন বাড়েনি বেতন-ভাতা তেমনি সরকারি সকল সুযোগ-
সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে তারা। ইতোমধ্যে কয়েক দফা উদ্যোগ নেয়া হলেও
চিঠি চালাচালির মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে জাতীয়করণের বিষয়টি। শেষমেষ
জাতীয়করণের দাবীতে সংশ্লিষ্ট হেল্ধসঢ়;থ কেয়ার প্রোভাইডাররা পালন করছেন অবস্থান
কর্মসূচী। রোববারও দ্বিতীয় দিনের মত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থান
কর্মসূচী পালন করে উপজেলা সিএইচসিপি এসোসিয়েশন। এতে গত দু’দিন
মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে সেবা কার্যক্রম।
সূত্রমতে, মানুষের মৌলিক অধিকার স্বাস্থ্যসেবা, মানুষের দোরগোড়ায়
পৌছে দিতে বর্তমান সরকার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক
স্থাপন করেন। অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন হওয়ারপর ২০০১ সাল পরবর্তী সময়ে
বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় এসে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম বন্ধ
করে দিলে স্থবির হয়ে পড়ে এর সকল কার্যক্রম। ২০০৮ সালে আবারও ক্ষমতায় এসে
বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার বন্ধ থাকা কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম শুরু
করেন। ক্লিনিক গুলো স্বচল রাখা ও সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ২০১১ সালে প্রত্যেক
কমিউনিটি ক্লিনিকের বিপরিতে নিয়োগ দেয়া হয় একজন করে হেল্ধসঢ়;থ কেয়ার
প্রোভাইডার। এর মাধ্যমে পুরাপুরি চালু হয় কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম।
সারাদেশের ন্যায় পাইকগাছা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে প্রস্তাবিত ৩৯টি
কমিউনিটি ক্লিনিকের স্থলে স্থাপন করা হয় ৩৭টি ক্লিনিক। এসব ক্লিনিকের
মাধ্যমে উপজেলার প্রত্যান্ত অঞ্চলের গ্রামীন জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা
হয়েছে। প্রায় ৩ লাখ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় কমিউনিটি ক্লিনিক গুলো
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি কর্মরত হেল্ধসঢ়;থ কেয়ার
প্রোভাইডারদের। হরিঢালী ইউনিয়নের সিএইচসিপি আনতারা হুমাইদা বলেন,
এমন কোন চিকিৎসা সেবা নেই যা কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে দেওয়া হয়
না। সেবা করার মাধ্যমে গত ৭ বছরে আমরা সাধারণ মানুষের কাছে গরীবের ডাক্তার
হিসাবে পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা থেকে আমরা
এখনো বঞ্চিত রয়েছি। যোগদানের পর হতে এ পর্যন্তএকই বেতন-ভাতা উত্তোলন
করছি। তাও আবার সময়মত পায়না। অনেক সময় ৬ মাস পর পর বেতন পায়। এতে পরিবার