ইয়ানূর রহমান : অসহায়ত্বের আরেক নাম শার্শার রমজান আলী, জীবন কাটছে তার
মৃত্যুর প্রহর গুনে। অসহায় মা নিজের জীবনের বিনিময়ে ছেলের জীবন ভিক্ষায়
দোয়ায় বসছেন বারবার। স্ত্রীও আজ বড়ই অসহায়। রমজান আলী বিনা চিকিৎসায় এ
ভাবে বিনা চিকিৎসা মারা যাবেন এ ভাবতে প্রতিবেশিরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
নাম রমজান আলী। তিনি দক্ষিন বুরুজ বাগান, শার্শা- যশোরের বাসিন্দা তিনি।
গত ৯ বছর আগে স্ত্রী সন্তানদের অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখে অভাব অনটনকে পিছে
ফেলে ভাগ্যটাকে একটু বদলাতে অজানার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। ঢাকাতে
কামলা খেটে, রিকশা চালিয়ে জীবন চালাতে থাকে। ভাগ্য বদলাতে পাড়ি দেয় বিদেশ
নামের মালয়শিয়ায়।
কাটছিল ভালই। এদিকে বড় হচ্ছিল ৩ সন্তান। ২ ছেলে ও ১ মেয়ে। এর মধ্যে
মেয়েটাকে সৎ পাত্রের হাতে তুলতে পারলেও ছেলে ২টি বেকার রয়ে গেল। সঞ্চিত
টাকা ব্যয় করে রমজান আলী তাদেরকেও নিয়ে গেল বিদেশ নামের মালয়শিয়ায়। সে
ভেবেছিল এবার মনে হয় তাদের দুঃখের দিন ফুরাবে। ভাগ্য তার সহায় হয়নি।
সেখানে গিয়ে ছেলারা উচশৃঙ্খল জীবন যাপন করতে লাগলো। ফলে রমজান আলী
হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়ে। শেষ মেষ ব্রেইন স্ট্রোক হলো রমজান আলী। অর্থের
অভাবে সেখানে চিকিৎসা করাতে পারেনি। ছেলে ২টিও একবারের জন্যও বাবাকে
দেখতে আসেনি।
অন্যের দয়ায় বাড়ি ফিরলেও আজ সে প্যারালাইড হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
অর্থের অভাবে চিকিৎসা না করাতে পেরে মরনের প্রতি তার অপেক্ষা।
এক সময়ের টগবগে এ তরুন কত মানুষেরই উপকারে আসতো, আর আজ তার জীবন দুর্বীসহ কষ্টের।
অথচ, সে যে সন্তানদের গায়ের ঘাম ঝরিয়ে বড় করলো তারা বাবাকে একটি বারের
জন্য খোজ নেয় না। আজ তার পঙ্গুত্ব জীবন অভিষপ্ত হয়ে দাড়িয়েছে।
রমজান আলীর মা সাহায্য চেয়ে তাদের বিকাশ নম্বরটি প্রতিবেদকে দেন । যা
০১৯৬২০০৮০০৫ ।
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন