জুনেও এনজিওর কিস্তি দিলে দিবে না দিলে না দিবে 

73
gb
1
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা  প্রতিনিধিঃ
বৈশ্বিক করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও) ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করতে পারবে না- সরকারের এমন নির্দেশনা ছিল। কিন্তু অফিস-আদালত সীমিত পরিসরে খুলে দেয়ার পর কিস্তি আদায়ের প্রস্তুতি শুরু করে এনজিওগুলোও।
এ পরিস্থিতিতে চলতি জুন মাসেও কিস্তি দিলে দিবে-না দিলে নাই। তবে জোর করে কিস্তি আদায় করতে পারবে না ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী এনজিওগুলো। জোর করে ঋণের কিস্তি আদায় ক্ষেত্রে কঠোর হুসিয়ারি দিয়েছেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোঃ আব্দুল মোতিন। তিনি বলেন, জোর করে কিস্ত আদায়ের অভিযোগ প্রমানিত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রামকৃষ্ণ বর্মন জানান, বাধ্য করে কিস্তি না নেওয়ার জন্য এনজিও কর্মীদের সর্তক করা হয়েছে। এরপরও যদি কোন এনজিও কর্মী বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ প্রমানিত হয়, তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এদিকে গত ৩১ মে থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে অফিস-আদালত।ঘরবন্দি মানুষ কাজে নেমেছেন। এ পরিস্থিতিতে এনজিওগুলোও প্রস্তুতি নিচ্ছে কিস্তি আদায়ের। ইতিমধ্যে বেশকিছু এনজিও কিস্তি আদায়ে ঋণগ্রহীতাদের চাপ দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে। মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির মনিটরিং সেলের একটি সূত্র জানায়,কোথাও জোর করে ঋণ আদায় করা হলে এনজিওর ঋণ কার্যক্রম পরিচালনার লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন