মৌলভীবাজার হলিমপুর (বার বাউয়া) গ্রামে একজন গৃহবধূর আত্মহত্যা 

275
gb
4

জিবি নিউজ ডেস্ক ।।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিরপুর ইউনিয়নের  হলিমপুর (বার বাউয়া) ০৯ নং ওয়ার্ডের এক গৃহবধূ ফাতেমা বাবর লিজা (২৫) আত্মহত্যার ঘটনা ঘটায় বলে জানায় শেরপুৃর পুলিশ ফাঁড়ির প্রশাসন।

ঘটনাটি ঘটে ৩০ মে শনিবার সকাল ৯টার দিকে গৃহবধুর শয়নকক্ষে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিরপুর ইউনিয়নের হলিমপুর (বার বাওয়া) গ্রামের ইতালী প্রবাসী মোস্তফা (৪০ )স্ত্রী ফাতিমা বাবর লিজা (২৫) আত্মহত্যা করে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায় তাদের ৬ বছরের কন্যা সাহারা পুলিশের এক সাক্ষাৎকারে জানায়।

আজ শনিবার সকালে একটি মটু ফোন থেকে ফাতিমা বাবর লিজা (২৫) এর সাথে মোবাইলে ফোনে এক ব্যক্তির সাথে কথোবকথন বাক্য বিনিময় হয়।

মোবাইলে কথা বলার এক পর্যায়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তার শয়ন কক্ষে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
ফাস লাগানোর পর লিজা ছটফট করতে থাকে।
তখন তার ছয় বছরের কন্যা সাহারা চিৎকার শুরু করে।
তার চিৎকার শুনে অন্য কক্ষে থাকা পরিবারের লোকজন ছুটে আসেন। তারা এসে দেখতে পান লিজার নিথর দেহ সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলছে।

এ বিষয়টি মডেল থানা নিয়ন্ত্রিত শেরপুর ফাঁড়ির পুলিশ ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বাবু অরবিন্দ পোদ্দার বাচ্চু ও ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ইলিয়াছুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ইউপি সদস্য ইলিয়াসুর রহমান উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান ঘটনা যেভাবেই ঘটনাটা ঘটেনা কেন খুবই দুঃখজনক ,
আমরা এ ব্যাপারে তার সঠিক কোন তথ্য পাইনি ।
অন্যদিকে মডেল থানার ওসি আলমগীর হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ঘটনাস্থল থেকে দুপুর একটার দিকে মৃতদেহ উদ্ধার করে পরে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাব্বির আহসান বলেন মোবাইল ফোনের আলাপ-আলোচনার কারণে হয়তো গৃহবধুর আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটে ।

ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন