শার্শার পাইলট হাইস্কুল প্রধান শিক্ষক কর্তৃক ছাত্র প্রহৃত

137
gb

ইয়ানূর রহমান  ||

শার্শা সরকারী মডেল পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক নবম শ্রেনীর ছাত্র মেহেদী হাসান সাগর(১৫)কে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। স্কুল ড্রেস না পরার কারনে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে ছাত্র সাগর জানান। সোমবার সকালে সাগর স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক এ ঘটনা ঘটান। সে বর্তমানে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তী রয়েছে।

ইট ভাটার শ্রমিক মহিনুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, স্কুল ড্রেস বানানোর জন্য সাত দিনের সময় দেয় তার ছেলেকে শিক্ষকরা। দুই দিন যেতে না যেতেই শুধুমাত্র স্কুল ড্রেসের শার্ট পরে স্কুলে যাওয়ার কারনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ক্লাস রুম থেকে ডেকে নিয়ে স্কুলের ল্যাব রুমের মধ্য অমানবিক নির্যাতন করে। এর আগে অনেক ছাত্রকে এভাবে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের শহিদুল ইসলামের নামে।

ছাত্রের পিতাঃ মহিনুর রহমান জানান, তার ছেলেকে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডলের কাছে নিয়ে যায়। ছাত্রের শরীরে তিনি আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। এ ব্যাপারে তিনি প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে ছাত্রের পিতা মাতাকে আশ্বাস্থ করেন। মেহেদী হাসান সাগর নবম শ্রেনীর মানবিক শাখার ছাত্র। মেহেদী হাসান বর্তমানে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক এর কাছে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি বলেন, সোমবার আমি স্কুলের কোন রুমে প্রবেশ করি নাই। এই কথা টুকু বলে তিনি ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তার পরেও অনেকবার ফোন দেওয়ার পরেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

এধরনের শিক্ষকদের অমানবিক নির্যাতনের কারনে অন্য ছাত্র-ছাত্রীরাও স্কুল বিমুখ হয়ে পড়েছে বলে অনেক অভিভাবকরা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম দুর্নীতির কারনে ইতিপূর্বে জেল-হাজত খেটেছেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে এর আগেও শিক্ষার্থী পেটানোর অভিযোগ রয়েছে।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More