‘টার্মিনেটর’ নিয়ে এলেন আর্নল্ড শোয়ার্জনেগার

36
gb

জিবি নিউজ ২৪ ডেস্ক//

হলিউডের সিনেমাপ্রেমীদের কাছে অন্যতম প্রিয় নাম ‘টার্মিনেটর’। এ সিরিজের সিনেমাগুলো দারুণ আলোড়ন তুলেছে বক্স অফিসে। সুখবর হলো, আবারও পর্দায় এল ‘টার্মিনেটর’। ১লা নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে সিরিজের নতুন ছবি ‘টার্মিনেটর: ডার্ক ফেইট’। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে ছবিটি। প্রায় ২০০ মিলিয়ন বাজেটের ‘টার্মিনেটর: ডার্ক ফেইট’ ছবি পরিচালনা করেছেন টিম মিলার আর প্রযোজনা করেছেন জেমস ক্যামেরন ও ডেভিড ইলিসন।

মূলত ‘ডার্ক ফেইট’ জেমস ক্যামেরন পরিচালিত ‘টার্মিনেটর: জাজমেন্ট ডে’র (১৯৯১) সরাসরি সিক্যুয়েল। তবে তাতে শেষ তিন ছবি টার্মিনেটর থ্রি: রাইজ অফ দ্য মেশিন’ (২০০৩), ‘টার্মিনেটর স্যালভেশন’ (২০০৯) এবং ‘টার্মিনেটর জেনিসিস’-এর (২০১৫) অনেক যোগসূত্র থাকবে। ‘টার্মিনেটর’-এর শেষ তিন পর্বে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও সেগুলো থেকে তিনি অনেক কিছু শিখেছেন বলে জানান ক্যামেরন। ‘টার্মিনেটর: ডার্ক ফেইট’ দর্শকদের জন্য দারুণ সব চমক নিয়ে হাজির হচ্ছে। প্রযোজক জেমস ক্যামেরন অ্যাকশন হিরো শোয়ার্জনেগারের বিপরীতে দীর্ঘ বিরতির পর ফিরিয়ে আনলেন অ্যাকশন কুইন লিন্ডা হ্যামিল্টনকে। এবার প্রধান চরিত্রেই থাকছেন তিনি। বিখ্যাত সারাহ কনর চরিত্রে আবারও অভিনয় করবেন এই অভিনেত্রী। টার্মিনেটরের প্রথম কিস্তিতে ছিলেন সুন্দরী তারকা লিন্ডা হ্যামিল্টন। তারপর এই সিরিজ থেকে দীর্ঘ বিরতি। আর এবার নতুন ঝাঁজালো, মারকুটে ভূমিকায় প্রত্যাবর্তন। লিন্ডা হ্যামিল্টন বলেন, সেই ‘৯১ সালের ‘জাজমেন্ট ডে’-র পর ফের একবার টার্মিনেটরের স্বাদ এই সিনেমায়। আর অ্যাকশন দৃশ্যগুলো আগের চেয়ে দশগুণ বড়। সিনেমাটি সম্পর্কে আর্নল্ড বলেন, ‘কঠোর পরিশ্রম কর এবং নিষ্ঠার সঙ্গে খেল।’ পুরো সিনেমাটি এই মূলনীতির ওপরেই দাঁড়িয়ে। তিনি বলেন ‘আমার মতে এটি একেবারেই ভিন্ন গল্পের আরেকটি টার্মিনেটর সিনেমা। আর এর পুরোটা জুড়ে জেমস ক্যামেরনের ছোঁয়া রয়েছে। তাই এটা সেই পুরনো টার্মিনেটরের দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। এখন পর্যন্ত যতগুলো টার্মিনেটর সিনেমা দর্শকরা পেয়েছেন, তার মধ্যে এটাতেই সবচেয়ে বেশি অ্যাকশন দৃশ্য থাকছে।’
ট্রেলার প্রকাশের আগেই এই সিনেমার প্রযোজক ও সহ-চিত্রনাট্যকার বিশ্বনন্দিত নির্মাতা জেমস ক্যামেরন বলেছিলেন, ‘আগের দুটি মূল টার্মিনেটরের চাইতে এটা আরও দীর্ঘ, আরও দারুণ। সংক্ষেপে বলতে গেলে, ‘এটি আর-রেটেড (ভয়াবহ ভায়োলেন্সের জন্য রেস্ট্রিক্টেড রেটিং), এটি ভয়ানক, এটি বিস্ময়কর, এটি ক্ষিপ্র ও তীব্র।’ এদিকে গণমাধ্যমে দেয়া সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে প্রযোজক জেমস ক্যামেরন ‘টার্মিনেটর’ ফ্র্যাঞ্চাইজকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবার সম্ভাবনা ব্যক্ত করেছেন। অর্থাৎ আরও আসতে পারে ‘টার্মিনেটর’-এর সিক্যুয়াল। তবে তিনি এ-ও বুঝিয়ে দিয়েছেন যে তার পেছনে একমাত্র শর্ত হলো আসন্ন পর্ব ‘ডার্ক ফেইট’-এর সাফল্য। ক্যামেরন জানান, চলচ্চিত্রটির নির্মাণ শুরুর আগে এর চিত্রনাট্য নিয়ে তারা বেশ কয়েক সপ্তাহ কাজ করেছেন তিনি এবং তার টিম। তার বিশ্বাস এটি থেকে নতুন ট্রিলজির সূচনা হবে। তিনি বলেন ‘আমরা ‘ডার্ক ফেইট’ দিয়ে যদি যথেষ্ট আয় করতে পারি তাহলে আমরা নিশ্চিতভাবে জানি পরের ফিল্মগুলোর কাহিনী কী এবং তার ভবিষ্যত কী হবে।

gb

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More