ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টের পার্লামেন্ট স্থগিত নিয়ে নাক গলানোর দরকার কি ? ডিল নো ডিল ?

সুন্নত চৌধুরীর সাথে গণি মিয়ার ডিল হয় নাকি?

1,516
gb

রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী || জিবি নিউজ ২৪ ||

(এক)

অনেকদিন লেখালেখি থেকে বিরত ছিলাম। লিখে কি কোনো লাভ হয়? এ প্রশ্নটি প্রায়ই আমাকে তাড়া করে! না লিখার অনেকগুলো কারন রয়েছে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে এবার হজ্ব করতে গিয়েছিলাম মক্কা মদিনায়। গত ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করার জন্য আল্লাহ তালার কাছে প্রার্থনা করেছি। জানিনা আল্লাহ মাফ করবেন কি-না? তবে আমরা তো তার কাছেই মাফ চাইবো। অনেকেই হজ্বের অভিজ্ঞতা জানতে চান, আমার কাছে যেটি মনে হয়েছে, আমরা যারা মুসলমান যারা হজ্ব করতে ইচ্ছুক তাদের শরীরে শক্তি থাকাবস্থায় হজ্বে চলে যাওয়া উচিৎ। অনেকেই বলেন আরো কিছুদিন যাক তারপর যাবো। আরে ভাই আগামীকাল কি বাঁচবেন? সে যাক, লেখা পড়ে অনেকেই হয়তো বলবেন ফতোয়া দেওয়া শুরু করেছি। আসলে কাউকে পরামর্শ দিতে চাইনা, অনুরোধ করতে চাই, হজ্বে গেলে অনেক কিছুই ঠিক হয়ে যাবে। একটি কথা আমি হলফ করে বলতে পারি, আমরা যা করছি বিশেষ করে লন্ডনের বাঙালী কমিউনিটিতে যা হচ্ছে ব্যবসা বাণিজ্য পার্টি বেশীর ভাগই পাপে ভর্তি। বাংলাদেশে যা হচ্ছে তা তো বলে লাভ নেই। হজ্ব থেকে আসার পর পরিচিত এক মহিলা ফোন করেছিলেন বলেছি আপনার সাথে কথা বলতে পারবনা, জিজ্ঞাস করেছিলেন মহিলা কেন? বলেছিলাম আপনি পরনারী। হজ্বের ৪০ দিন মানতে হয়। শুধু ৪০ দিন না হজ্ব করার পর একজন মানুষ শিশুর মত নিস্পাপ হয়ে যায়। পাঠক আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যাতে আর কোনো পাপ না করি। এ জীবনে যা করেছি আল্লাহ যেন মাফ করেন, লাইফ ইজ ভেরী শর্ট। কাল পড়ে মরে যাবেন। মৃত্যুর পর তো আর আপনি কিছুই করতে পারবেননা। না হজ্ব না আল্লাহর ইবাদতী।

(দুই)

অনেক দিন থেকেই ব্রেক্সিট ইস্যু বৃটিশ সরকারের জন্য গলার কাটা হয়ে দেখা দিয়েছে। দিনের পর দিন. মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ইউরিপিয়ান ইস্যু শুনতে শুনতে আমি ক্লান্ত। লৌহ মানবী মরহুম মার্গারেট থেচার থেকে শুরু করে জন মেজর, টনি ব্লেয়ার , গর্ডন ব্রাউন, ডেভিড ক্যমরুন, থেরেসা মে, সর্বশেষ বরিস জনসন, এ যেন গাজী কালুর কিচ্ছা।

এ কিচ্ছা শেষ হয়েও শেষ হচ্ছেনা। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছে পার্লামেন্ট স্থগিত ঘোষনা আন-লফুল। বৃটিশ সুপ্রিম কোর্টের সভাপতি লেডি হেল সহ প্রায় ১১ জন বিচারপতি এ রায় দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন তিনি রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, কিন্তু তিনি জোরালেভাবে এ রায়ের প্রতি দ্বিমত পোষন করেছেন। এক ব্যবসায়ি মহিলা বরিস জনসনের স্থগিত করা পার্লমেন্টের ব্যপারটি সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যান। সেখানে বিচারপতিরা এটিকে অবৈধ ঘোষনা করেন। এটি অবৈধ ঘোষিত হওয়ার পর কিছু সংখ্যক রাজনীতিবীদ বুঝে না বুঝে লাফালাফি করছেন। আমিও সুপ্রিম কোর্টের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি (নতুবা আমাদের শামসুদিদ্দন চৌধুরী মানিক ভাইর মত যদি কোনো বিচারপতি থাকে তাহলে তো কোর্টে দাড় করিয়ে রেখে দেবে) মাননীয় লেডি হেল আপনি সহ যে ১১ জন বিচারপতি এ রায় দিয়েছেন এটা কি বুঝে দিয়েছেন? বৃটেনের জনসাধারণ তিন বছর আগে গণভোটের মাধ্যমে রায় দিয়েছে ইউরোপ থেকে বেরিয়ে আসার। আপনি এখন কোথা থেকে এসে রায় একটি দিয়ে দিলেন ”আনলফুল” বৃটেনে তো পার্লমেন্টারী ডেমক্রেসি এখানে তো প্রেসিডেন্সিয়েল ডেমক্রেসী নেই যে এক ব্যাক্তির কথায় দেশ চলবে, তা ছাড়া রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ পার্লামেন্ট স্থগিত করেছেন। পাচ সপ্তাহের জন্য পার্লমেন্ট স্থগিত ঘোষনা করা হয়েছিল, এটি তো জিয়াউর রহমান সাহেব অথবা এরশাদ সাহেবের সামরিক স্বৈরশাসন নয় যে অনন্তকালের জন্য পার্লমেন্ট স্থগিত ঘোষনা করা হয়েছে। যারা লাফালাফি করেন বুঝে না বুঝে তাদেরকে ব্যাপারটি বুঝতে হবে। বুধবার পার্লামেন্ট বসেছে. স্পীকার জনাব জন বারকাউ ও কম করেননি। বৃটেনের পার্লামেন্ট্রে ইতিহাসে আমি এ রকম স্পীকার দেখিনি। তিনি নিরপেক্ষ থাকার কথা কিন্তু ব্রেক্সিট নিয়ে তার পক্ষপাতদুষ্টে মনে হয় তিনি বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ অথবা বিএনপির স্পীকার। ঐ যে আওয়ামীলীগের সাংসদদের জন্য সময় ২০ মিনিট আর বিএনপি অথবা অন্য দলের এমপি হলে ৩ মিনিট। এটি তো ডঃ শিরীন শারমীন চৌধুরীকে মানায় এটি বৃটিশ হাউস অব পার্লমেন্টের স্পীকারকে মানায় না। কনজারভেটিব পার্টি ও বাপের বেটা সাদ্দাম। স্পীকারের এলাকায় অরেকজনকে দাড় করিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে আগামী নির্বাচনের জন্য, ঠেলার চটে স্পীকার জনাব জন বারকাউ বলেছেন আর তিনি নির্বাচন করবেননা। তিনি নাকি তার পরিবার আর ছেলেদেরকে বলেছেন আগামীতে তিনি অবসরে চলে যাবেন। ফালতু কথা। স্পীকারের নির্বাচনী এলাকায় কেউ সাধারণত চ্যলেঞ্জ করেনা। সে যাই হোক স্পীকার সাহেবের আমলনামা আরেকদিন লিখব। আমার এ লেখা পড়ে অনেকে বলবেন আমি বরিস জনসনের চামচামী বা দালালী করছি, মোটেই না। একটি বিষয় দিনের পর দিন চলতে পারেনা। গত তিন বছর থেকে একটি ইস্যু নিয়ে বৃটিশ রাজনীতিবীদরা সময় কাটাচ্ছেন, আর কি কোনো ইস্যু নেই বৃটেনের? বরিস জনসন বলছেন ডিল হোক আর নাইবা হোক ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বৃটেনকে বেরিয়ে আসতে হবে। অনেকে ডিল নিয়ে চেচামেচি করছেন? আচ্চা ডিল নো ডিল, ডিল হলেই কি আর না হলেই কি? ইউরোপের সাথে বৃটেনের বানিজ্য হয় ৩৪ পার্সেন্ট। ৬৬ পার্সেন্ট আসে আউট সাইড ইউরোপ থেকে। তা ছাড়া ইউরোপের সাথে বৃটেনের এমন কিছু নেই যে ডিল না হলে বৃটেন কাল পথে বসে যাবে। বৃটেন হচ্ছে ঐ যে সিলেটে এক ভদ্রলোক ছিলেন সুন্নত চৌধুরী তিনি বেশ কিছু চা বাগানের মালিক ছিলেন, আমি বৃটেনকে তুলনা করছি পাঠকদের বুঝার জন্য সুন্নত চৌধুরীর সাথে, আর ইউরোপকে তুলনা করছি গণি মিয়ার সাথে ঐ যে ছোট বেলা পড়েছিলাম গণি মিয়া একজন কৃষক তার নিজের কোনো জমি জামা নেই অপরের জমিতে সে চাষ করেন   । ইউরোরপর তো ২/১ দেশ ছাড়া সব গুলোই গনি মিয়া। । আরেকটি বিষয় এখানে উল্লেখ না করলেই নয় আমাদের বাঙালী কমিউনিটিতে বেশ কিছু লোক লেবার পার্টি করে বুঝে না বুঝে করে। অবশ্য কেউ কেউ করে আবার রাইট অনারেবল টিউলিপের কারণে। ছোট আাপার কারণে। ছোট আপা খুশী হবেন। ছোট আপা মানে আমাদের শেখ রেহানা আপা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছোট বোন। আর বিএনপির অনেকেই আছে কনজারভেটিব পার্টি করে টিউলিপের জন্য। যে শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ তুমি লেবার পার্টির এমপি, আমরা ঐ পার্টি করবোনা আমরা করবো কনজারভেটিব পার্টি। আমার অুনরোধ থাকবে যা করবেন বুঝে শুনে করবেন। আমাদের বাঙালী কমিউনিটির অনেক নেতা আছেন যারা এমনভাবে বরিস জনসনের সমালোচনা করেন যেন মনে হয় বরিস জনসন তাদের চাচাত ভাই। অথবা গলি ভাই, মিয়া ভাই। তারা স্বপ্ন দেখেন জেরেমী করবীন কালই প্রধানমন্ত্রী হয়ে যাবেন। জেরেমী করবিন যে প্রধানমন্ত্রীর মেটিরিয়েল নন এটা কে কাকে বুঝাবে? ব্রেক্সিট নিয়ে তার অবস্থান পরিস্কার করতে পারেননি এখনো। লিবরল ডেমোক্রেটিক হচ্ছে ছাগলের তিন নম্বার বাচ্ছা। হুদাই লাফালাফি করে। সংসদে নাই সিট তাদের ১০ টা। তারা স্বপ্ন দেখে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় চলে যাবে। সে যাক, বুধবার পার্লমেন্ট বসার পর পরই বরিস জনসনকে পদত্যাগ করার জন্য অনেকেই বলছেন, অনেকইে সরাসরি বরিস সাহেবকে বলছেন ডিসগ্রেইস। বলতেই পারেন। বলেছেন বরিস মোস্ট আনপপুলার প্রধানমন্ত্রী। বরিস প্রতিউত্তরে বলছেন ঠিক আছি আামি জনপ্রিয় কি অজনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী, চলে আসো নির্বাচনে, নির্বাচনে পাবলীক ভোট দিয়ে প্রামণ করে দিবে কে পপুলার আর কে আনপপুলার। নির্বাচনে এমপিরা যেতে চায়না, এমন কি লেবার পার্টির জেরেমি করবিনও যেতে চাননা! কেন যেতে চাননা আমরা বুঝিনা। নির্বাচনে গেলে ওরা পাশ করতে পারবেনা। ওদের সাথে বাংলাদেশের এমপিদের মিল আছে। ঐ যে সংসদে দিনের পর দিন যায়না। কিন্তু বেতন ঠিকই তুলে নিয়ে আসে। শুল্ক মুক্ত গাড়ী ঠিকই কিনে। ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানার মত অবৈধ সংসদ ঠিকই বলেন, কিন্তু সংসদ সদস্যের সব সুযোগ সবিধে ভোগ করবেন, প্লটের জন্য জমির জন্য ঠিকই অবেদন করবেন। বরিস জনসন তো বলছেন আমি আনপপুলার আমার পদত্যাগ দাবী করছো, ঠিকই আছে চলো নির্বাচনে যাই বৃটিশ পাবলকি নির্ধারণ করবে কে নেতা! প্রিয় পাঠক নির্বাচন হলে বরিস জনসন পাশ করবে। এবং বরিসই আবার প্রধানমন্ত্রী হবে। সংসদের আগের অধিবেশনে বরিস জনসনকে এক শিখ লেবার এমপি রেসিস্ট বলেছেন, মুসলমানদের বোরকা এবং হিজাবকে বরিস জনসন লেটার বক্সের সাথে তুলনা করে একটা কলাম লিখেছিলেন পত্রিকায়। তিনি এপলজি দাবী করেছিলেন প্রতিউত্তিরে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছিলেন তুমি আমাকে এসব বলতে পারোনা। কারন খুজলে তো তুমি আমার আত্মীয় হবা।প্রিয় পাঠক বরিস জনসনের আগের স্ত্রী মেরিনা। মেরিনা অরিজিনিলী শিখ। ২৫ বছর ঘর সংসার করেছেন বরিস জনসন, বর্তমানে তাদের সংসার জীবন নেই বললেই চলে, চুড়ান্ত ডিভোর্স হয়নি এখনো, মেরিনা অনেকটা ফেডআপ বরিসের নারী প্রীতির প্রতি। নারীদেরকে বরিস না করতে পারেননা। প্রেমিক মন। না করবেন কি করে?

প্রিয় পাঠক আমার ব্যাক্তিগত অভিমত হচ্ছে আমি ইউরোপ থেকে বৃটেন বেরিয়ে আসুক তা কখনো চাইনি। কিন্তু ব্রেক্সিট নিয়ে যখন রেফারেন্ডাম হয়েছিল গণভোট হয়েছিল তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম আর কোনো সুযোগ নেই, বৃটেনকে অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে। ফালতু কথা বললে হবেনা। দ্বিতীয গণভোটের কথা কেউ কেউ বলছেন তা হবেনা। তা হয়না। গণতন্ত্র সেটা বলেনা। আরেকটি বিষয় বুঝতে হবে ইউরোপ কেন ডিল দিতে চায়না? যারা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারা ও চাচ্চেন এক সুযোগে বৃটেনকে শিক্ষা দিয়ে দিতে। আগেকার আমলের কিছু হিসেব নিকেষ জার্মান এবং ফ্রান্সের রয়েছে বৃটেনের সাথে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে চার্চ্চিল না থাকলে আজকে সবাইকে জার্মানীর হিটলারের গোলাম হয়ে থাকতে হতো। আর ফ্রন্সের সাথে তো সারাজীবনই বৃটিশরা মারামারি করেছে। লন্ডনের ওয়াটারলু ষ্টেশনে গেলে খেয়াল করবেন সে সবের স্মৃতি। আমার ব্যাক্তিগত এক অভিঞ্জতার কথা লিখে শেষ করতে চাই আজকের লেখা। ১৯৯৭/৯৮ ইংরেজেী আমি এবং আমার দুএকজন বন্ধু বান্ধব গাড়ীতে করে প্যারিসের উদ্দ্যেশ্যে লন্ডনের ডোবার ফেরী পার হয়ে ফ্রান্সের চেক পোস্টে গিয়েছি, তখন ফ্রন্সের একজন পুলিশ আমাকে গাড়ী থেকে নামিয়ে জিজ্ঞাস করলেন এটা কি, আমার গাড়ীর পিছনে ইংরেজী দুটি শব্ধ জি-বি লেখা একটি স্টীকার ছিল। জিবি মানে গ্রেট বৃটেন। ফ্রান্সের পুলিশ আমাকে জিজ্ঞাস করে ”হো টোল্ড ইউ দে আর গ্রেইট? আমি তো তার কথায় অনেকটা অবাক। মনে মনে বলি বেটা বলে কি? কিছুক্ষন পর জিজ্ঞাস করে হোয়ায় ইউ কাম ফ্রম অরিজিনালী? বলেছিলাম বাংলাদেশ, সে আমাকে বলে বাংলাদেশের স্টীকার লাগাও। বলেছিলাম তুমি মনে করো এটা জিবি মানে গ্রেইট বাংলাদেশ। সে হাসে।
শেষ কথা বরিস জনসনের পদত্যাগ করার দরকার নেই। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ডিল হোক আর না হোক বৃটেনকে ইউরোপ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। যেহেতু ডিভোর্স হয়ে গেছে এখানে আর জোড়া তালি দিয়ে লাভ নেই। ধরে বেধে নবীর কলিমা পড়ানো যায়না। জোর করে ভালোবাসা আদায় করা যায়না। জোর করে সংসার হয়না। সময় নষ্ট করার মত সময় কোথায়? অক্টোবরের পরে বৃটেন হাফ ছেড়ে বাঁচবে। বৃটেনের রাজনীতিবীদরা তথন শুধু বৃটেনের উন্নতী নিয়ে ভাবতে পারবে। মনে রাখতে হবে বৃটেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। বৃটেনের ইমিগ্রেশন বৃটেনের স্বাধীনতা বৃটেনেকেই দেখতে হবে। ব্রাসেলসের প্রেসক্রিপশনে বৃটেনের মত দেশ চলতে পারেনা। এসব বিষয়গুলো বৃটিশ রাজনীতিবিদরা যত তাড়াতাড়ি বুঝবেন ততই তাদের জন্য মঙ্গল বৃটিশ জনগনের জন্য ও মঙ্গল। জনগন তো তিন বছর আগেই রায় দিয়েছে ইউরোপ থেকে বৃটেনকে বেরিয়ে আসার। আর রাণী পার্লামেন্ট স্থগিত করে তিনি ও তার মতামত দিয়ে ফেলেছেন ইউরোপে থাকা না থাকার।

লেখক : রেজা আহমদ ফয়সল চৌধুরী

সভাপতি ইউকে বাংলা প্রেস ক্লাব
সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক চ্যানলে আই ইউরোপ

প্রধান মিডিয়া উপদেষ্টা জিবি নিউজ২৪ ডট কম

লন্ডন ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ বৃহস্পতিবার

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More