ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা উচিত : ন্যাপ

82

 

 

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা উচিত বলে দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

 

সোমবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ দাবী জানান।

 

তারা বলেন, রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। ইতিমধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ডেঙ্গু আতঙ্কে রাজধানীর স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কমে গেছে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার। ছাত্রছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ছেড়ে বাড়ি চলে যাচ্ছেন। বিপুল পরিমাণ শিক্ষার্থী ডেঙ্গু ঝুঁকিতে আছে। মেডিক্যাল সেন্টারে শয্যা ও ডেঙ্গু চিকিৎসার অপর্যাপ্ততা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক-অনাবাসিক সব শিক্ষার্থীর জীবনকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। আবাসিক হলগুলোতে অবস্থানরত দুই শতাধিক শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও হল বন্ধ ঘোষণা ছাড়া কোন বিকল্প নাই। এদিকে ডেঙ্গু মোকাবেলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠাগুলোর প্রশাসনের প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থাও গ্রহন করতে পারছে না। ফলে শিক্ষার্থীরা আতঙ্কগ্রস্থ।

 

নেতৃদ্বয় বলেন, সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে তাতে আমরা সকলেই চিন্তিত ও আতঙ্কিত। সরকারের সংশ্লিষ্টতরাও ডেঙ্গু মোকাবেলায় যথেষ্ট ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। বরং সরকারের কর্তাব্যাক্তিদের সমন্বয়হীনতা ও অতিকথনে সমাজে আরো বেশী আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। যে ডেঙ্গু একসময় শহরকেন্দ্রিক রোগ ছিল তা আজ গ্রাম পর্যায়ে পৌছে গেছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

 

ন্যাপ নেতৃদ্বয় আরো বলেন, মশা নিধনের ওষুধ ক্রয়ে বড় রকমের দুর্নীতি হয়েছে।  দুই মেয়র নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে কাণ্ডজ্ঞানহীন অসংলগ্ন কথা বলছেন।  অথচ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না।  এ অবস্থায় দুই মেয়রের পদত্যাগ জনগনের দাবী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

 

নেতৃদ্বয় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে, ঈদে ঘর ফেরা মানুষের সঙ্গে ডেঙ্গু আরও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

 

অবিলম্বে সংকট সমাধানে দেশের চিকিৎসা গবেষকদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠন করে ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে কার্যকর ও স্থায়ী সমাধান করারও দাবি জানান তারা।