ফকিরহাটে বেতাগা কোরবানির পশুরহাটে পশু উঠতে শুরু করায় ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়

123

 

পি কে অলোক.ফকিরহাট।
বাগেরহাটের বেতাগা পশুরহাটে কোরবানির জন্য বিপুল পরিমানে গবাদী পশু উঠতে শুরু করেছে। কোরবানির ঈদের এখনো বেশ
কয়েক দিন বাকি থাকলের পশু ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়ে সমগ্র বাজার এখন মুখরিত হয়ে পড়েছে। দুরদুরান্ত থেকে আগত
হাজার হাজার ক্রেতা বিক্রেতারা ঝুট ঝামেলা এড়াতে আগে ভাগেই গবাদী পশু ক্রয় বিক্রয় করছেন। জানা গেছে, দক্ষিন-পশি^মাঞ্চলের
মধ্যে সর্ববৃহৎ পশুর হাট হচ্ছে বেতাগা পশুর হাট। এখানে ১২মাস বিভিন্ন প্রজাতির গবাদী পশু ক্রয় বিক্রয় হয়ে থাকে। সেই
সুবাদে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে হাজার হাজার ক্রেতা বিক্রেতারা এখানে গবাদী পশু এনে নিরাপদে ক্রয় বিক্রয় করে থাকেন।
কোরবানির ঈদের এখনো বেশ কয়েকদিন বাকি রয়েছে। তার পরেও এই হাটে তুলনা মুলক ভাবে পশু উঠেছে অন্যান্য বছরের তুলনায়
অনেক বেশি।
সরেজমিনে অনুসন্ধ্যানে গিয়ে দেখা গেছে,খুলনা-মংলা মহাসড়কের শুকদাড়া বাসস্ট্যান্ডে নেমে আধা কিলোমিটার পশি^মে
বেতাগা পশুর হাটটি অবস্থিত। সকাল ১০টার দিকে বাজারে প্রবেশ করতে গিয়ে দেখা যায়, হাজার হাজার গবাদী পশু (গরু ছাগল)
উঠেছে। ঢাকা চট্টগ্রাম সিলেট বরিশাল মাদারীপুর গোপালগঞ্জ টেকেরহাট সহ দেশের বিভিন্ন স্থান হতে শতশত গরু বোঝাই
ট্রাক পিকাপ ও টেম্ফু যোগে বাজারে গবাদী পশু আসতে শুরু করেছে। গত সোমবারের তুলনায় আজ শুক্রবারের হাটে পশুর দাম একটু
চড়া। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় পশুর দাম একটু কম। মোল্লাহাট এলাকার গরু ব্যাবসায়ী মোঃ আলমগীর হোসেন বড় একটি
গরু বিক্রয় করতে এনেছেন। দাম চাচ্ছেন ১লক্ষ ৮০হাজার টাকা, কিন্তু ক্রেতারা বলেছেন ১লক্ষ ২০হাজার টাকা। বাগেরহাটের বারাকপুর
এলাকা হতে আযম আলী নামের একজন খামারী ২টি এড়ে গরু বিক্রয় করতে এসেছেন। তিনি ২লক্ষ ৮০হাজার টাকা দাম চেয়েছেন।
কিন্তু ক্রেতারা ২লক্ষ ৫হাজার টাকা বলেছেন। ক্রেতা বাবলুল জামান বলেন, এখানে দেশী জাতের গরু ছাগলের আমদানী সবচেয়ে
বেশি। কোরবানির ঈদের এখনো বেশ কয়েক দিন বাকি থাকলেও ক্রেতারা ছোট পশুর চাহিদা করছে সবচেয়ে বেশি। সাধারনত
অন্যান্য বাজারের ভিতরে কাদা পানিতে ভরপুর থাকলেও এখানে বালু দিয়ে ভরাট করায় জুতা পায়ে প্রবেশ করে সহজেই ক্রয় বিক্রয় করা
যাচ্ছে। বাজারে বিভিন্ন প্রজাতির বড় বড় গরু উঠেছে। স্থানীয়রা বলেছেন, বাজারের পরিস্থিতি অত্যান্ত ভাল হওয়ায় কোন প্রকার
ঝুট ঝামেলা ছাড়াই ক্রেতা বিক্রেরা পশু ক্রয় বিক্রয় করতে পারছেন। বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য ও বাজার পরিচালনা
কমিটির অন্যতম সদস্য অসিত কুমার দাশ এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার পশুর হাটে বিপুল
পরিমানে পশু আমদানী হচ্ছে। বাজার তদারকির দায়িত্বে থাকা রতন কুমার দাশ, কৃষ্ণপদ দাশ ও সুব্রত কুমার দাশ বলেন, দেশের
বিভিন্ন স্থান হতে যে পরিমানে গরু এখানে আসছে, তাতে করে কোরবানির ঈদের চাহিদা পুরণ করা সম্ভাব হবে। এব্যাপারে
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, কোরবানির ঈদের
সময় যাহাতে ক্রেতা বিক্রেতারা সহজে ক্রয় বিক্রয় করতে পারেন, সেজন্য চতুরপাশের্^ বিদ্যুৎ ব্যাবস্থা ও পুলিশি ব্যাবস্থা জোরদার,
সর্বক্ষনিক পশুদের চিকিৎসার জন্য একটি মেডিকেল ট্রিম ও জাল টাকা সনাক্ত করণের জন্য ব্যাংক হতে কর্মকর্তারা মেশিন নিয়ে
চেকিং করার সিধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। ##