অবশেষে বিয়ানীবাজার পৌরশহরে মাছ বাজার ফিরলো

278
gb

বিয়ানীবাজার পৌরশহরে প্রায় এক বছর পর পুনরায় শুরু হয়েছে মাছ বিক্রি। দীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান হয় মাছ ব্যবসায়ীদের সাথে জনপ্রতিনিধিদের কয়েক দফা বৈঠকে। দুই পক্ষের আলোচনার বাস্তবায়ন ঘটে মাছ বাজার প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে। এতে ব্যবসায়ী-জনপ্রতিনিধি সবাই খুশি। স্থস্তি ফিরে এসেছে শহরের ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

প্রায় এক বছর শহরে মাছ বিক্রি বন্দ থাকায় ব্যবসায়ী, পৌরবাসীসহ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের অধিবাসীদের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। মাছ বাজার প্রতিস্থাপন হওয়ায় সে ভোগান্তি দূর হলো। বৃহস্পতিবার সকালে অস্থায়ীভাবে সেড নির্মাণ করে পৌরসভা। এর ফাঁকে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, মাছ ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকনেতাদের নিয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

ফলপ্রশু বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছ বাজার প্রতিস্থাপনের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব, পৌর মেয়র আব্দুস শুকুর, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আরিফুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান রোকসানা বেগম লিমা, জেলা পরিষদ সদস্য নজরুল হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, রাজনীতিক দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, মৎস্য ব্যবসায়ী ইমাম উদ্দিন, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি সামসুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এবাদ আহমদ, বিয়ানীবাজার জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আহমেদ ফয়সাল, পৌরসভার কাউন্সিলর ও মাছ ব্যবসায়ীরা। এ সময় ব্যবসায়ী ও বিয়ানীবাজারবাসীর কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করা হয়।

মৎস্য ব্যবসায়ী ইমাম উদ্দিন বলেন, উপজেলাবাসীর ভোগান্তি দূর করতে এবং দায়িত্বশীলদের সাথে সফল আলোচনার মাধ্যমে আমরা মাছ বিক্রি শুরু করেছি। আপনারা বাজারে আসেন। আমরা সবার সহযোগিতা চাই।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আরিফুর রহমান বলেন, আজ মনে হচ্ছে ঈদের দিন। মাছ ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সবাই খুশি। সবার মাছে স্বস্থি ফিরে এসেছে। দীর্ঘদিন থেকে আলোচনা অব্যাহত রাখায় একটা সমাধানে পৌছা সম্ভব হয়েছে। এজন্য উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র ও মাছ ব্যবসায়ীদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।

পৌর মেয়র আব্দুস শুকুর বলেন, ষড়যন্ত্র করে একটি সময় পর্যন্ত ভোগান্তি সৃষ্টি করা যায় কিন্তু সেটা দীর্ঘ সময়ের মধ্যে আটকে রাখা যায় না। উপজেলা চেয়ারম্যান এবং আমরা দীর্ঘদিন থেকে যে আলোচনা চালিয়েছি আজ তা আলোর মূখ দেখেছে। বিশেষ করে উপজেলা চেয়ারম্যানকে অভিনন্দন জানাই তিনি নিজ অবস্থান থেকে এ বিষয়টির সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। একইসাথে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মাছ ব্যবসায়ীদের অভিনন্দন জানাচ্ছি তারা পুনরায় মাছবাজারে ফিরে আসায়।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কাশেম পল্লব বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যা সমাধান সম্ভব। আজ সেটাই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। মাছ ব্যবসায়ী নেতারা উপজেলাবাসীর ভোগান্তি দূর করতে পৌরশহরে ফিরে এসেছেন। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং একই সাথে ব্যবসায়ীদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।

gb

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More