দেশে ধর্ষণ-খুন যেন মহামারী আকার ধারণ করেছে : বাংলাদেশ ন্যাপ

 

 

দেশে বর্তমানে কেউ নিরাপদ নয়, পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, দেশে ধর্ষণ, হত্যা বিশেষ করে কন্যা শিশুদের ধর্ষণ ও হত্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে সমগ্র জাতি উদ্বিগ্ন ও উৎকন্ঠিত। অবস্থা দৃেষ্টে মনে হচ্ছে ধর্ষন-হত্যা মারাত্মক জাতীয় সমস্যায় পরিণত হচ্ছে।

 

শনিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা এসব কথা বলেন।

 

নেতৃদ্বয় বলেন, দেশে বর্তমানে ধর্ষণ-খুন যেন মহামারী আকার ধারণ করেছে। উদ্বেগের বিষয়, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন বা এ সংক্রান্ত অপরাধ চেষ্টার পর নারী ও শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে বেপরোয়াভাবে। শুধু তাই নয়, ধর্ষণ-যৌন নিপীড়ন ও উত্ত্যক্ত করার মতো ঘটনার প্রতিবাদ করায় হামলার শিকার হতে হচ্ছে।

 

তারা বলেন, দিন দিন খুন, হত্যা, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়ন যেভাবে বাড়ছে তাতে আমরা সভ্য সমাজে বাস করছি কিনা, এমন প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক। আর এই সকল ঘটনায় দায়িত্বশীল অনেকের জড়িত থাকা ও অপরাধীর পক্ষ নেয়া আমাদের সমাজের পচন কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। এ ধরনের লাগামহীন ধর্ষণ-খুন ও সড়কে মানুষ হত্যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

 

ন্যাপ চেয়ারম্যান ও মহাসচিব বলেন, সমাজে খুন-ধর্ষণ ও নিপীড়ন বেড়ে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে এবং এতে তারা সাহসী হয়ে দ্বিগুণ উৎসাহে বেপরোয়া অপরাধ সংঘটন করছে। আমরা মনে করি, এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে হলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধীকে যথাযথ সাজা দেয়ার বিকল্প নেই। আমাদের আর্থিক উন্নতি হয়তো হচ্ছে কিন্তু আত্মিক উন্নতি হচ্ছে না, বিপরীতে অবনতি হচ্ছে দেদার। নেমে গেছে মূল্যবোধের সূচক। খুন-ধর্ষণ ও নিপীড়নের পাশাপাশি দুর্নীতি-অনিয়ম প্রকট আকার ধারণ করেছে।

 

তারা বলেন, সুষম উন্নয়ন ও উন্নত জাতি গঠন করতে হলে যে কোনো মূল্যে অপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক করার পাশাপাশি তাদের দায়িত্বে অবহেলার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে সাজা দিতে হবে। কেবল বদলি বা প্রত্যাহারের মাধ্যমে তাদের শোধরানো যাবে না। এছাড়া যে কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীর রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব বিবেচনা না করে দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সামাজিক ও নৈতিক-ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর জোর দিতে হবে। অপরাধীর পরিচয় নির্বিশেষে দ্রুত আইনের প্রয়োগই পারে অপরাধ নির্মূল ও সুষ্ঠু সমাজ গঠন নিশ্চিত করতে। সরকারের শীর্ষ মহলের নির্দেশনা ও কঠোর অবস্থানই এর একমাত্র পথ।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন