নবীগঞ্জের দুই ইউনিয়নের সর্ব সাধারণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ! বিপাকে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ- অবশেষে উন্মুক্ত রাখার আশ্বাস

নবীগঞ্জ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:
নবীগঞ্জ উপজেলার ৫নং আউশকান্দি ইউনিয়ন ও ৪নং দীঘলবাক ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণে চরম দুর্ভোগ পুহাতে হচ্ছে সর্বসাধারন! বিশেষ করে বনগাঁও, পাহাড়পুর, কুমারকাদা, দুর্গাপুর ও ইসলামপুর সহ আশপাশের গ্রামের শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী, ব্যবসায়ী, বয়স্ক ব্যক্তি সহ সাধারণ মানুষ নানান ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।


শেরপুর-পারকুল, বনগাঁও, পাহাড়পুর ও দুর্গাপুর যাতায়াতের একটি মাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়কের প্রায় ২০০ ফুট অংশে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ চলায় ওই অংশে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এতে, স্বাভাবিক যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে। একই সময়ে বিকল্প একটি সড়কের অবস্থাও ছিল অত্যন্ত নাজুক। বড় বড় গর্ত ও হাঁটুসম কাদায় সড়কটি দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। এর মধ্যে পারকুল গ্রামের নিকটবর্তী সামিট বিবিয়ানা পাওয়ার প্ল্যান্টের পেছনে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্যভাগ দিয়ে যাওয়া একটি ইটসলিং সড়ক নিয়েও সংকট তৈরি হয়। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, সামিট বিবিয়ানা পাওয়ার প্ল্যান্টের উদ্যোগে প্রায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সড়কটি নির্মাণ করা হয়। সামিট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও জানানো হয়, সড়কটি সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে ওই সড়কে কয়েকজন ব্যক্তি খুঁটি স্থাপনসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে চলাচল বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে করে  রিকশা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ কোনো যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারেনি। এ কারণে বনগাঁওসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ কার্যত যোগাযোগ সংকটে পড়েন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি অসুস্থ ব্যক্তি, গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক মানুষ ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি যানবাহন প্রবেশ ও অসুস্থ কিংবা মৃত ব্যক্তিকে দ্রুত এলাকার বাইরে নেওয়ার ক্ষেত্রেও নানান সমস্যার সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা হয়।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সুজন মিয়া জানান, তিনি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তিনি ব্যর্থ। যেকোন পরিস্থিতির কারণে সেখানে গেলে তাকে গালাগালির শিকার হতে হয় বলেও তিনি জানান।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বিএনপি নেতা কাওছার মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানান। তবে, তিনির বক্তব্য অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পক্ষের সহযোগিতা না পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কোন সমাধান সম্ভব হয়নি।
এদিকে, এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হলে শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়। জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ইচ্ছায় বন্ধ রাখা যাবে না।
উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সড়কটি উন্মুক্ত রয়েছে।

খোজ নিয়ে জানাযায়, সামিটের দায়িত্বশীলরা শিক্ষার্থীদের জানিয়েছেন, সড়কটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। একই সঙ্গে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এ বিষয়টি আলোচনা করে সড়কটি পুরোপুরি ও স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
অপরদিকে, শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে যদি আবারও জনসাধারণের চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তারা মানববন্ধনসহ প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করবেন।
এ নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ফাহাদ আহমদ তার দায়িত্ব পালন করে সংবাদ করে। এতে তৈলে বেগুনে জ্বলে ওঠে এক শ্রেণির অপরাধীরা। বিভিন্ন ফেইক আইডি দিয়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মানহানি করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের প্রতি গণমাধ্যমকর্মী সহ সচেতন মহলের দাবী এই ফেইক আইডিকে সনাক্ত করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনাড জন্য জোর দাবী জানান। অন্যতায় আর কেউ সত্য প্রকাশ করতে সাহস পাবেনা। 
উক্ত ঘটনায় যারা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন এবং পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকার প্রতিবাদী সর্ব সাধারণ।
নবীগঞ্জ উপজেলার ৫নং আউশকান্দি ইউনিয়ন ও ৪নং দীঘলবাক ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষের চলাচলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির কারণে চরম দুর্ভোগ পুহাতে হচ্ছে সর্বসাধারন! বিশেষ করে বনগাঁও, পাহাড়পুর, কুমারকাদা, দুর্গাপুর ও ইসলামপুর সহ আশপাশের গ্রামের শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী, ব্যবসায়ী, বয়স্ক ব্যক্তি সহ সাধারণ মানুষ নানান ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
শেরপুর-পারকুল, বনগাঁও, পাহাড়পুর ও দুর্গাপুর যাতায়াতের একটি মাত্র গুরুত্বপূর্ণ সড়কের প্রায় ২০০ ফুট অংশে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ চলায় ওই অংশে যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এতে, স্বাভাবিক যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটে। একই সময়ে বিকল্প একটি সড়কের অবস্থাও ছিল অত্যন্ত নাজুক। বড় বড় গর্ত ও হাঁটুসম কাদায় সড়কটি দিয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলও কঠিন হয়ে পড়ে। এর মধ্যে পারকুল গ্রামের নিকটবর্তী সামিট বিবিয়ানা পাওয়ার প্ল্যান্টের পেছনে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মধ্যভাগ দিয়ে যাওয়া একটি ইটসলিং সড়ক নিয়েও সংকট তৈরি হয়। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, সামিট বিবিয়ানা পাওয়ার প্ল্যান্টের উদ্যোগে প্রায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সড়কটি নির্মাণ করা হয়। সামিট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও জানানো হয়, সড়কটি সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে ওই সড়কে কয়েকজন ব্যক্তি খুঁটি স্থাপনসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে চলাচল বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে করে  রিকশা ও সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ কোনো যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারেনি। এ কারণে বনগাঁওসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের হাজারো মানুষ কার্যত যোগাযোগ সংকটে পড়েন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি অসুস্থ ব্যক্তি, গর্ভবতী মহিলা, বয়স্ক মানুষ ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। এমনকি অ্যাম্বুলেন্স, জরুরি যানবাহন প্রবেশ ও অসুস্থ কিংবা মৃত ব্যক্তিকে দ্রুত এলাকার বাইরে নেওয়ার ক্ষেত্রেও নানান সমস্যার সৃষ্টি হয়।

এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা হয়।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সুজন মিয়া জানান, তিনি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তিনি ব্যর্থ। যেকোন পরিস্থিতির কারণে সেখানে গেলে তাকে গালাগালির শিকার হতে হয় বলেও তিনি জানান।
এ ব্যাপারে স্থানীয় বিএনপি নেতা কাওছার মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানান। তবে, তিনির বক্তব্য অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পক্ষের সহযোগিতা না পাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কোন সমাধান সম্ভব হয়নি।
এদিকে, এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হলে শিক্ষার্থী ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ ও মানববন্ধনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়। জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ইচ্ছায় বন্ধ রাখা যাবে না।
উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সড়কটি উন্মুক্ত রয়েছে।

খোজ নিয়ে জানাযায়, সামিটের দায়িত্বশীলরা শিক্ষার্থীদের জানিয়েছেন, সড়কটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। একই সঙ্গে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এ বিষয়টি আলোচনা করে সড়কটি পুরোপুরি ও স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।
অপরদিকে, শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে যদি আবারও জনসাধারণের চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তারা মানববন্ধনসহ প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহণ করবেন।
এ নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ফাহাদ আহমদ তার দায়িত্ব পালন করে সংবাদ করে। এতে তৈলে বেগুনে জ্বলে ওঠে এক শ্রেণির অপরাধীরা। বিভিন্ন ফেইক আইডি দিয়ে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মানহানি করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের প্রতি গণমাধ্যমকর্মী সহ সচেতন মহলের দাবী এই ফেইক আইডিকে সনাক্ত করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনাড জন্য জোর দাবী জানান। অন্যতায় আর কেউ সত্য প্রকাশ করতে সাহস পাবেনা। 
উক্ত ঘটনায় যারা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন এবং পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকার প্রতিবাদী সর্ব সাধারণ।

gbn

মন্তব্যসমূহ (০)


ব্রেকিং নিউজ

লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন