রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই আনন্দের আতিশয্যে মাঠে শুয়ে পড়লেন স্পেনের ফুটবলাররা। লিওনেল মেসি ঠাঁই দাঁড়িয়ে।
কিছুক্ষণ পর মেসি কয়েক ফোঁটা চোখের জলও ফেললেন। তার দলের কাছ থেকে বিশ্বকাপটা যে হাতছাড়া হয়ে গেল!
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সোনালি ট্রফিটা স্প্যানিশ অধিনায়ক রদ্রির হাতে তুলে দেওয়ার আগে সবচেয়ে বড় পুরস্কারটা তিনি জিতলেন। রদ্রিই হলেন এবারের বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়।
আসরে ৮ ম্যাচে মোট ৭২৬ মিনিট খেলেছেন রদ্রি। নির্ভুল পাস দিয়েছেন ৬৯২টি, যা টুর্নামেন্টে যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে বেশি। তার মোট পাসের ৯৪ শতাংশই ছিল নিখুঁত। এ ছাড়া ট্যাকলে জিতেছেন ১৩ বার।
ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে ফেরান তোরেসের হাতে। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে তার গোলেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন।
কিলিয়ান এমবাপ্পে জিতেছেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট। ফরাসি অধিনায়ক এবারের বিশ্বকাপে মোট ১০ গোল করেছেন।
সেরা গোলকিপার হয়েছেন উনাই সিমন।
স্পেনের এই গোলকিপার পুরো আসরে মাত্র একটি গোল হজম করেছেন। তার নামের পাশে ৭টি ক্লিনশিট। বিশ্বকাপে প্রায় ৫৫০ মিনিট গোল না খাওয়ার কীর্তি গড়েছেন গোল্ডেন গ্লাভ জয়ী সিমন।
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন পাউ কুবারসি। স্পেনের এই ১৯ বছর বয়সী ডিফেন্ডারের বিপক্ষে প্রতিপক্ষ দল মাত্র একটি গোল করতে পেরেছে। সব মিলিয়ে তিনি ৩৩ বার বল ক্লিয়ার বা বিপদমুক্ত করেছেন।
এ ছাড়া সবচেয়ে সুশৃঙ্খল খেলা উপহার দিয়ে ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। দলটি শেষ বত্রিশ থেকে বাদ পড়েছে।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে পুরস্কার জয়ী
ফাইনালের সেরা ফেরান তোরেস (ম্যাচের একমাত্র গোলদাতা)
গোল্ডেন বল (টুর্নামেন্টসেরা) রদ্রি
গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) কিলিয়ান এমবাপ্পে (১০ গোল)
গোল্ডেন গ্লাভ (সেরা গোলকিপার) উনাই সিমন (৭টি ক্লিনশিট)
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় পাউ কুবারসি (মাত্র ১ গোল হজম, ৩৩টি ক্লিয়ারেন্স)
ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড নেদারল্যান্ডস
জিবি নিউজ24ডেস্ক//
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন