লিওনেল মেসি আজ রাতে কোনো গোল করতে পারেননি। তবে তার দুটি অ্যাসিস্টের মানে হলো, এই টুর্নামেন্টে এখন তার মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা চারটি।
তিনি ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে উভয়েরই আটটি করে গোল রয়েছে। তবে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসি এখন এগিয়ে গেলেন। কারণ এমবাপের অ্যাসিস্ট মাত্র তিনটি। আর গোল সংখ্যা সমান হলে অ্যাসিস্টের সংখ্যাই জয়ী নির্ধারণের প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
গোল সংখ্যা সমান থাকলে বেশ কিছু মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে একজনকে গোল্ডেন বুট দেওয়া হবে। গোল সমান থাকলে এই পুরস্কার উঠবে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট যে করেছেন, তার হাতে। আর এ কারণেই মেসি আপাতত এগিয়ে আছেন।
পরের মানদণ্ড খেলার সময়। যিনি সবচেয়ে কম সময় খেলেছেন, তিনিই জিতবেন এই পুরস্কার। তারপরও যদি সমতা থাকে, সেক্ষেত্রে ওপেন প্লে থেকে সর্বোচ্চ গোল বিবেচনা করা হবে। মানে পেনাল্টি বহির্ভূত গোল। এই ক্যাটাগরিতে মেসি ভালো অবস্থানে। তিনি দুটি পেনাল্টি নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ (অস্ট্রিয়া ও মিশর) কিপার দুটোই সেভ করেছেন। এমবাপে দুটি পেনাল্টি নিয়ে একটি গোল করেছেন, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে।
আর্জেন্টাইন ও ফরাসি তারকার পাশাপাশি গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম। দুজনেই ছয়টি করে গোল করেছেন। তাদের পরে আছেন উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স) ও মিকেল ওয়ারসাবাল (স্পেন)। দুজনেই পাঁচটি করে গোল করেছেন, তাদের হাতেও রয়েছে একটি করে ম্যাচ। আর্লিং হালান্ড সাত গোল করে দুই নম্বরে থাকলেও তার দল নরওয়ে বাদ পড়ার কারণে গোল্ডেন বুট জয়ের কোনো সুযোগ নেই।
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা - আট গোল, চারটি অ্যাসিস্ট)
কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স - আট গোল, তিনটি অ্যাসিস্ট)
বিজ্ঞাপন
আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে - সাত গোল)
জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড - ছয় গোল, একটি অ্যাসিস্ট)
হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড - ছয় গোল, একটি অ্যাসিস্ট)
উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স - পাঁচ গোল, দুটি অ্যাসিস্ট)
মিকেল ওয়ারসাবাল (স্পেন - পাঁচ গোল, একটি অ্যাসিস্ট)
হালান্ড ছাড়া ওপরের বাকি ছয়জন খেলোয়াড়েরই আর একটি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে। যেখানে আগামী শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী প্লে-অফ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড এবং এরপর রোববার ফাইনাল ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।
জিবি নিউজ24ডেস্ক//
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন