বিডিআর ট্রাজেডি স্মরণে দোয়াপিলখানা হত্যাকান্ড ছিল সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত : মোস্তফা

101
gb

 

 

২৫ ফেব্রুয়ারী বডিআির ট্রাজডেরি ১০ বছরেও পিলখানা হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য জানতে না পারা লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করে বাংলাদশে ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, পিলখানা হত্যাকান্ডের রহস্য উৎঘাটনে সরকার গঠতি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অবিলম্বে জাতির সামনে প্রকাশ করা উচিত।

 

তিনি বলেন, ২৫ ফেব্রুয়ারীর নৃশংসতা ও বর্বরতায় প্রমানিত হয় পিলখানায় সেনাহত্যাকান্ড শুধু “ডালভাতের” কথিত বিদ্রোহ ছিল না। এটি ছিলো দেশের র্সাবভৌমত্বের প্রতি আঘাত।

 

সোমবার নয়াপল্টনস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে “বিডিআর ট্রাজডির ১০ম বার্ষিকী স্মরণে” বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর আয়োজিত স্মরণ সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, বিডিআর ট্রাজেডির মত এতবড় একটা ষড়যন্ত্রের রহস্য আজও উৎঘাটন করা সম্ভব হয়নি জাতির জন্য এটা লজ্জাজনক। কেন এই বর্বরোচিত হত্যাকান্ড, কি তাদের অপরাধ ? বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আর সীমান্ত রক্ষার অতন্ত্র প্রহরী বিডিআরকে কারা ধ্বংস করে দিল ? এর রহস্য উৎঘাটন করা আজ সময়রে দাবী। তানা হলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না।

 

তিনি বলেন, বার বার দাবী করা সত্ত্বেও সরকার কেন ১০ বছরেও পিলখানা হত্যাকান্ডের ২৫ ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষনা করছে না ? দেশের ভবিষ্যতের স্বার্থেই উচিত পিলখানা হত্যাকান্ডের হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য জাতির সামনে উম্মোচন করা।

 

গোলাম মোস্তফা ভুইয়া আরো বলেন, বিডিআর ট্রাজেডির পিছনে ছিল এবং আছে সুগভীর ষড়যন্ত্র। এই ঘটনার মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীরা সেনাবাহিনীকে একটি ম্যাসেজ দিয়ে দিয়েছে যাতে সনোবাহিনী দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সাহস না পায়।

 

তিনি অবলিম্বে ২৫ ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় শোক দিবস পালনের লক্ষে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

 

ন্যাপ ঢাকা মহানগর সভাপতি মোঃ শহীদুননবী ডাবলু’র সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ গ্রহন করনে গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, এনডিপি মহাসচিব মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মো. নুরুল আমান চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক আহসান হাবিব খাজা, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল ভুইয়া, নীলফামারী জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ওয়াহিদুর রহমান, মহানগর সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান হাওলাদার, যুব নেতা আবদুল্লাহ আল কাউছারী প্রমুখ।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More