বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম বোটানিক্যাল গার্ডেন লন্ডনের কিউ গার্ডেন যা ৩৩০ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত। এই উদ্যানে বিশ্বের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় উদ্ভিদ সংগ্রহ রয়েছে।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সায়েম লন্ডন কিউ গার্ডেন থেকে ঘুরে এসে এই প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানান -
এখানে চার লাখেরও বেশি প্রজাতির সংরক্ষিত উদ্ভিদ এবং বিভিন্ন দর্শণীয় কাঁচঘর রয়েছে।
বছরে প্রায় ২০ লক্ষ দর্শনার্থীরা লন্ডনের এই কিউ গার্ডেনে ভিজিট করেন।
কিউ গার্ডেন সাধারণত প্রতিদিন সকাল ১০.০০টা থেকে সন্ধ্যা ৭.০০টা পযর্ন্ত খোলা থাকে, তবে ঋতুভেদে সময় পরিবর্তন হতে পারে।
অনলাইনে শিশুদের টিকিটের মূল্য ৬ পাউন্ড থেকে শুরু এবং প্রাপ্তবয়স্কের জন্য ২৫ পাউন্ড থেকে। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ডিসকাউন্টের সুবিধা রয়েছে।
কিউ গার্ডেন: লন্ডন শহরের কেন্দ্রে অবস্হিত, কিউ ব্রিজ অথবা কিউ গার্ডেন স্টেশন থেকে ১০|১৫ মিনিটের হাটার পথ। এটি একটি শান্তিপূর্ণ স্হান যা শহরের কোলাহল থেকে দূরে প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানোর জন্য দারুণ ও উপভোগ্য।
কিউ গার্ডেনে বছরের যে কোন সময় ভ্রমণ করা যেতে পারে, তবে বসন্ত ও গ্রীষ্মকাল Cherry Blossom এর জন্য সেরা সময়।
প্রধান আকর্ষণ :
◆ পাম হাউস: ভিক্টোরিয়ান যুগের এই কাঁচঘরে ক্রান্তীয় রেইনফরেস্টের উদ্ভিদ রয়েছে।
◆ টেম্পারেট হাউস : বিশ্বের বৃহত্তম ভিক্টোরিয়ান কাঁচঘর, যেখানে দুর্লভ ও বিপন্ন প্রজাতির গাছপালা রয়েছে।
◆ ট্রিটপ ওয়াকওয়ে : মাটি থেকে ১৮ মিটার উঁচুতে গাছের চুড়াদিয়ে হাঁটার এক চমৎকার ব্যবস্হা।
◆ দ্যা হাইভ : মৌমাছির জীবনযাত্রা নিয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন শিল্পকর্ম।
◆ বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব : এটি কেবলই একটি বাগান বা গার্ডেন নয়, বিশ্বের অন্যতম প্রধান উদ্ভিদ গভেষণা কেন্দ্র। এখানে বিশাল হার্বেরিয়াম এবং সিড ব্যাংক রয়েছে।
১৭৫৯ সালে প্রিন্সেস অফ ওয়েলস অগস্টা এই কিউ গার্ডেন প্রতিষ্ঠা করেন। পরে ১৮৪১ সালে এটি জাতীয় বোটানাক্যাল গার্ডেনে রূপান্তরিত হয়।
মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন