স্ত্রী মিতুর পাসপোর্ট ও গ্রিন কার্ডের খোঁজ মিলছে না

চট্টগ্রামে চিকিৎসকের আত্মহত্যা

55
gb

চট্টগ্রামে তরুণ চিকিৎসক মোস্তফা মোরশেদ আকাশের স্ত্রী তানজিলা হক চৌধুরী মিতুর পাসপোর্ট ও আমেরিকান সিটিজেনশিপের ‘গ্রিন কার্ড’ পাওয়া যাচ্ছে না।

মিতুর অভিযোগ, এগুলো তার শ্বশুরবাড়িতে আছে। তবে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জানান, এসব বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। আজ বুধবার মিতুকে তিনদিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে চান্দগাঁও থানায় আনা হবে। আকাশের আত্মহত্যার ঘটনায় স্ত্রী মিতু ও অন্য আসামিরা ‘ব্যাভিচার’এর অপরাধে জড়িত কি না সেটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৩ জানুয়ারি মিতু আমেরিকা থেকে দেশে আসেন। এরপর বাবা ও স্বামীর বাড়িতে আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিল মিতু। ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টায় মিতু আকাশের বাসায় যান। ওই দিন রাতে মিতুর পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে আকাশের সঙ্গে ঝগড়া হয়।

একপর্যায়ে মিতু তার বাবাকে ফোন করে ডেকে এনে ভোর চারটার দিকে বাবার বাসায় চলে যান। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চান্দগাঁও থানার এসআই আবদুল কাদের জানান, গ্রেফতারের পর মিতু অভিযোগ করছেন ওইদিন ঝগড়ার একপর্যায়ে মিতুর পাসপোর্ট ও আমেরিকায় বসবাস করার সিটিজেনশিপ ‘গ্রিন কার্ড’ কেড়ে নেয় স্বামী ডা. আকাশ।

বর্তমানে ওইসব শ্বশুরবাড়ির লোকজনের কাছে আছে বলেও মিতুর দাবি। ডা. আকাশের ছোট ভাই নেওয়াজ মোরশেদ বলেন, আকাশ মৃত্যুর আগে আমাদের এসব বিষয়ে কিছুই বলে যাননি।

নগর পুলিশের এডিসি (উত্তর) মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ‘মিতুকে জিজ্ঞাসাবাদে কাল (আজ বুধবার) কারাগার থেকে থানায় আনা হবে। তিনদিনের রিমান্ডে মিতুকে দাম্পত্য জীবন নিয়ে নানা প্রশ্ন করা হবে। এর মধ্যে আকাশ-মিতুর দাম্পত্য জীবন কেমন ছিল, আকাশের মৃত্যুর জন্য মিতুর কতটুকু প্ররোচনা ছিল এবং মৃত্যুর আগে আকাশের দেয়া ফেসবুক স্ট্যাটাসে কতটুকু সত্যতা আছে এসব বিষয়ে মিতুর কাছে নানা প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হবে।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More