নীলফামারী জেলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করণে পুনর্বাসন কর্মসুচী’র উদ্বোধন

106
gb

নীলফামারী প্রতিনিধি ||

নীলফামারী জেলাকে ‘ভিক্ষুক মুক্ত’ করণে আনুষ্ঠানিক ভাবে পুনর্বাসন কর্মসুচী শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার দুপুরে(৪ঠা ফেব্রæয়ারী) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ভিক্ষুক মুক্ত করণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নীলফামারী-০২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিনের সভাপতিত্বে এ সময়ে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আজাহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন, নীলফামারী পৌরসভার মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুজার রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন ভুইয়া।
জেলা প্রশাসন সুত্র জানায়, নীলফামারী জেলায় ৫৩০৫জন ভিক্ষুক রয়েছেন। এদের মধ্যে নীলফামারী সদরে ৯৯৪জন, সৈয়দপুরে ৫৩৫জন, কিশোরগঞ্জে ১২৫৪জন, জলঢাকায় ৪০৮জন, ডোমারে ৫৭৪জন ও ডিমলায় ৯৮৩জন ।
এদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ উপজেলার ১২৫৪জনকে সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনির আওতায় পুনর্বাসন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লক্ষ্য অনুযায়ী ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করণে ভিক্ষুকমুক্ত করা সেটারই একটি অংশ।
যার আলোকে নীলফামারীতে ভিক্ষাবৃত্তির সাথে জড়িতদের তালিকা প্রণয়ন করে তাদের চাহিদার ভিত্তিতে পুনর্বাসন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।এটি চলমান থাকবে এবং তাদের সরকারিসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করে ভিক্ষুকমুক্ত করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নুর বলেন, এই অ লে এখন আর মঙ্গা নেই ঠিকই তবে মানুষের বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে।
বাংলাদেশকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিক্ষুক মুক্ত করতে সর্বাত্মক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। তারই বাস্তবায়ন করছি আমরা।
নীলফামারীতে যারা ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত তাদের চিহিৃত করে পুনর্বাসন কর্মসুচীতে সম্পৃক্ত করা হবে।এবং নীলফামারী জেলা ভিক্ষুক মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এটি চলমান থাকবে।উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে ৩৫জন ভিক্ষুকের মাঝে একটি করে কম্বল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More