প্রবাসী জালালকে মৌলভীবাজার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে হত্যার ঘটনার মূল আসামীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবী

জানিয়েছেন বৃটেন প্রবাসী নেতৃবৃন্দ

নাজমুল সুমন ||
বৃটেনের কমিউনিটির সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন গ্রেটার সিলেট ডেভেলাপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইন ইউকের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি ওয়েলসের প্রাক্তন চেয়ারপাসন মোহাম্মদ মকিস মনসুর. ওয়েলসের প্রাক্তনসেক্রেটারি শেখ  মোহাম্মদ আনোয়ার.গ্রেটার সিলেট কাউন্সিল ইন  ইউকের ওয়েলস রিজিওনাল চেয়ারপারসন মোহাম্মদ আসকর আলী,  জেনারেল সেক্রেটারী শাহ শাফি কাদির ও  ট্রেজারার এবি রুনেল.ওয়েলস নবীগঞ্জ সোসাইটির সভাপতি  আলহাজ আব্দুর রুউফ.  সহ সভাপতি আলহাজ জুয়েল মিয়া ও সেক্রেটারী সৈয়দ ইকবাল আহমদ সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ এক যুক্ত বিবৃতিতে নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জের বাংলাদেশী বংশদুত বৃটিশ নাগরিক জালাল উদ্দিন(৩৭) নামের এক যুবককে মৌলভীবাজারে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পিটিয়ে হত্যার তীব্র প্রতিবাদ ও  নিন্দা জানিয়ে  অবিলম্বে হত্যার ঘটনার মূল আসামীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবী জানিয়েছেন। বিবৃতিতে মৌলভীবাজার জেলার সাবেক ছাত্রনেতা বৃটেনের কমিউনিটি লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন নিরাময় কেন্দ্রে অসুস্থ মানুষকে সুস্থ করার জন্য পাঠানো হয়েছে  জালাল উদ্দিন নামক এই রুগীকে পিটানোর অধিকার ওদেরকে কেহ দিয়েছে এর তীব্র প্রতিবাদ জানানোর কোনো ভাষা নেই অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
এদিকে ওয়েলস নবীগঞ্জ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রুউফ  সহ সভাপতি আলহাজ জুয়েল মিয়া ও সেক্রেটারী সৈয়দ ইকবাল আহমদ  এখানে উল্লেখ্য যে হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জের মৃত ইছিরাব উল্লার পুত্র জালাল উদ্দিন গত এপ্রিল মাসে দেশে আসেন।  সে মাদকাসক্ত থাকায় তাকে মৌলভীবাজার উদ্দিপন মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করার জন্য কেন্দ্রের পরিচালক রিপন আহমেদ এর সাথে যোগাযোগ করেন।  এ সময় তারা সঠিক চিকিৎসা দিবে বলে আশ্বস্থ্য করেন। গত ২৯ডিসেম্বর দুপুরে উক্ত কেন্দ্রের পরিচালক রিপন আহমদ ও সুহেল জালালের বাড়িতে এসে তাকে নিয়ে যান এবং উক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করেন। গত ৬ জানুয়ারী সন্ধ্যয় পরিচালক রিপনের নাম্বার থেকে মুঠোফোনে প্রবাসী জালাল উদ্দিন এর আত্মীয় ও মামলার সাক্ষি নাজমুল হক পিনুকে জানানো হয় জালাল অসুস্থ হয়ে পরেছে। তাকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। এ খবরে তারা দ্রæত সিলেট যান এবং হাসপাতালে খুজাখুজি করে জালালকে পাননি।  পরে ওই নাম্বার থেকে আবার জানানো হয় জালাল মারা গেছে। আপনারা মৌলভীবাজার আসেন। পরে মৌলভীবাজার এসে উদ্দিপন মাদক নিরাময় কেন্দ্রের সামনে একটি এম্ব্যেুলেন্সের ভেতর জালালের মৃত দেহ দেখতে পান। এ সময় নিরাময় কেন্দ্রের কাউকে খুজে পাওয়া যায়নি। নিহত জালালের শরিরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় নিহত জালালের স্ত্রী রুমিতা বেগম বাদী হয়ে মৌলভীবাজার থানায় ৭জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন