লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাব নির্বাচনী – টুকিটাকি-১

98
রহমত আলী  সম্পাদক  দর্পণ ম্যাগাজিন ||
সদ্য সমাপ্ত বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে এক আলোচিত ব্যক্তি ছিলেন সতন্ত্র এমপি পদপ্রার্থী হিরো আলম। লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের আসন্ন নির্বাচনে অবশ্য সে রকম কেউ নেই। তবে এ নির্বাচনে নমিনেশন পত্র দাখিলের সময় ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন দুইজন প্রার্থী। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন, জেনারেল সেক্রেটারী পদপ্রার্থী ও অন্যজন ট্রেজারার পদপ্রার্থী। তারা দু‘জন নির্বাচনে আলাদা দু’টি এলায়েন্স থেকে নির্বাচন করছেন।
উল্লেখ্য, নির্বাচনী এলায়েন্সের ১৫টি পদের মধ্যে এক পক্ষের সেক্রেটারী পদপ্রার্থী হিসাবে  একক প্রার্থী হওয়ার ও অন্য পক্ষের ট্রেজারার পদপ্রার্থী একক হওয়ার কথা নমিনেশনের পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত শুনা যাচ্ছিল। কিন্তু এ দু’জন প্রার্থী অনেকটা নাটকীয়ভাবে তাদের নমিনেশন পত্র জমা দেওয়ার কারণেই এ আলোচনার সূত্রপাত হয়। তাদের মধ্যে একজন সাংবাদিকতা ছাড়াও আইন পেশায় জড়িত। অন্যজন সাংবাদিকতা ও উপস্থাপনার পাশাপাশি অভিনয় শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট। আলোচ্য এ দুই প্রার্থীর পরিচয় উক্ত ইঙ্গিতবাহী সংকেত দিয়ে ভোটারগনের খুঁজে বের করতে তেমন বেগ পেতে হবে না। কারণ তারা আপনাদেরই খুঁজে বের করে তাদের পেশা ও নেশার কথা বলতে গিয়ে আপনাদের কাছে ধরা পড়তে পারেন।
এদিকে এ নির্বাচনে কমিশনার হিসাবে যারা রয়েছেন, তাদের সাথে গতকাল নমিনেশন দাখিলের সময়ই সংশ্লিষ্ট অনেকের দেখা সাক্ষাৎ হয়। এর আগে শুধু নির্বাহী কমিটিতে যারা ছিলেন তারাই জানতের কারা নির্বাচন কমিশনার হচ্ছেন। তবে নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে একজনের নাম বাংলাদেশের একজন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নামের সাথে মিল থাকায় এ নিয়েও বেশ রসালো আলাপ হয়েছে। কেউ কেউ রসিকতা করে বলেছেন, ‘অমুক মার্কা নির্বাচন যেন না হয়’। ইত্যাদি, ইত্যাদি। তবে এটা ছিল হালকা রসিকতা বা শুধু কথার কথা। এ নিয়ে কেউ কোন প্রতিবাদ বা বিরুপ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন নি। তাই নির্বাচন কমিশনারদের নিয়ে অমুলক চিন্তা ভাবনার কারণ নেই।
মন্তব্য
Loading...