এ বছর চিকিৎসায় নোবেল পাচ্ছেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী

368
gb

চলতি বছর চিকিৎসায় নোবেল পাচ্ছেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী। গতকাল সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে নোবেল প্রাপক হিসেবে জেফরি সি হল, মাইকেল রখবাখ ও মাইকেল ডাব্লিউ ইয়াংয়ের নাম ঘোষণা করেছে নোবেল কমিটি।

নোবেল কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মানবশরীরের বডি ক্লক ও বায়োলজিক্যাল রিদম কীভাবে আমাদের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করে, তা নিয়ে যুগান্তকারী গবেষণার জন্য নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন এই তিন মার্কিন বিজ্ঞানী।

২০১৭ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে বিশ্বের সেরার শিরোপা পেতে চলেছেন এই তিনজন। ঘটনাচক্রে তিনজনই আমেরিকার। আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় মানবশরীরের বডি ক্লক ও বায়োলজিক্যাল রিদমের প্রভাব ঠিক কতটা? তা নিয়ে গবেষণা করেছেন জেফরি সি হল, মাইকেল রখবাখ ও ইয়াং। সেই কাজের স্বীকৃতিতে চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার জিতে নিলেন তিনজনই।

৭২ বছরের প্রবীণ চিকিৎসাবিজ্ঞানী জেফরি সি হলের জন্ম নিউ ইয়র্কে। দীর্ঘদিন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির মতো আমেরিকার প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন তিনি। বহু বছর ধরে বস্টনের ব্র্যান্ডিস বিশ্ববিদ্যালয়েও অধ্যাপনা করছেন জেফরি সি হল। সম্প্রতি মেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের যুক্ত হয়েছেন তিনি।

আমেরিকার ওকলাহোমা শহরে জন্ম নোবেলজয়ী অপর বিজ্ঞানী মাইকেল রখবাখের। এ বছর চিকিৎসায় নোবেলজয়ী তিন বিজ্ঞানীর মধ্যে তিনিই বয়সে সবচেয়ে প্রবীণ। স্কটল্যান্ডে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে, বস্টনে ব্র্যান্ডিস বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন মাইকেল রখবাখ। দীর্ঘ চার দশক ধরে সেখানেই অধ্যাপনা করছেন তিনি।

এবারের চিকিৎসাশাস্ত্রে কনিষ্ঠতম নোবেলজয়ী আমেরিকারই মাইকেল ইয়াং। মিয়ামিতে জন্মেছেন তিনি। আমেরিকার টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন ইয়াং। এরপর তিনি পোস্ট ডক্টরাল ফেলো হিসেবে কাজ করেছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৭৮ সালে নিউ ইয়র্কের রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন তিনি।