Bangla Newspaper

আমি সব সময় নতুনের সঙ্গে থাকতে চাই-হেলেনা জাহাঙ্গীর

131

জিবি নিউজ 24 ডেস্ক //

হেলেনা জাহাঙ্গীর। একাধারে ব্যবসায়ী, সমাজ সেবিকা ও টিভি উপস্থাপিকা। বেসরকারি স্যাটেলাইট বাংলাটিভিতে তিনি তিনটি টকশো উপস্থাপনা করছেন। টকশো গুলো হলো  ‘সেলিব্রিটি আড্ডা’, ‘জয়যাত্রা’ ও ‘হেলেনা’স তর্ক-বির্তক’। সম্প্রতি তিনি ‘জয়যাত্রা মাল্টিমিডিয়া’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেছেন। একই নামে একটি টেলিভিশনও চালু করতে যাচ্ছেন।  সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

উপস্থাপনায় কেন এলেন?

আমি সব সময় নতুনের সঙ্গে থাকতে চাই। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে আমি জানতে চাই। সেই কারণে বাংলা টিভির অনুষ্ঠান তিনটি সঞ্চালনা করছি। তিনটি অনুষ্ঠানের ধরন তিন রকম। এখানে শোবিজ তারকাদের বাইরের মানুষদের সঙ্গেও কথা বলার সুযোগ হচ্ছে আমার। অনেক অজানা বিষয়গুলো আমি জানতে পারছি। এই জানার জন্যই আমি উপস্থাপনা করছি বলা যায়।

অনুষ্ঠানগুলো থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

আমি একেকটি অনুষ্ঠানে একটি বিষয় নিয়ে আলোচানা। দর্শকদের কাছ থেকেও বেশ সাড়া পাচ্ছি। আমি চেষ্টা করি প্রতিটি অনুষ্ঠানের ভিন্নতা রাখার। দর্শক এখন অনেক সচেতন। ভালো কিছু না হলে সেটি গ্রহণ করেনা।

আপনার জয়যাত্রা টিভি প্রসঙ্গে বলুন?

খুব শিগগির এটি নিয়ে আসতে চাই। সম্প্রতি জয়যাত্রা টিভির ডিজিটাল স্টুডিওর উদ্ভোধন করেছি। সৌদি আরব, ব্রুনাই, সাউথ আফ্রিকা ও অষ্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশে আমার এই চ্যানেল সম্প্রচারের ব্যবস্থা করছি। আমার এই টিভি চ্যানেলটি দর্শকের কাছে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

চ্যানেলটি নাকি প্রবাসীদের জন্য?

হ্যাঁ। আমাদের দেশের চালিকা শক্তির একটি অংশ প্রবাসীদের আয়ের ওপর নির্ভর। সেই প্রবাসীদের নিয়ে আমাদের দেশের টিভি চ্যানলেগুলোর থাকেনা কোনো আয়োজন। তারা বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত চ্যানেল দেখতে পায়না। প্রবাসীদের নিয়ে কোনো চ্যানেল নেই। আমি প্রবাসীদের বিনোদনের জন্য এই চ্যানেলটি নিয়ে আসছি। এটিতে প্রবাসীদের বিনোদন দেবার পাশাপাশি তাদের প্রতিদিনের সুখ-দুঃখ তুলে ধরা হবে।

শুনেছি একই নামে একটি ফাউন্ডেশন রয়েছে?

দূযোর্গপূর্ণ এলাকা, অনাথ ও পথশিশুদের নিয়ে তার এই ফাউন্ডেশন কাজ করে। দেশের সবকটা বিভাগে রয়েছে ‘জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন’ এর শাখা। অষ্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, মালয়েশিয়া ও সুইজারল্যান্ডেও এটির কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা করছি। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে আমার ভালো লাগে। এছাড়া আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে এলে আমাদের দেশ এগিয়ে যাবে।

Comments
Loading...