মৌলভীবাজারে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজী। মানুষ আতঙ্কগ্রস্থ’

258
gb

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি \

মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে এবং শহরের হাট বাজারে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজী চলছে অপ্রতিরোধ্যভাবে। তরুণ বয়সী কয়েকজন মাহুত একাধিক হাতি নিয়ে এই চাঁদাবাজী চালাচ্ছে। চাঁদার দাবীর চাপে রাস্তাঘাটে যানবাহনের জটলা তৈরী হচেছ এবং মানুষ আতঙ্কগ্রস্থ’ হয়ে পড়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের নিকট অভিযোগ জানিয়ে ও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। গত কয়েকমাস থেকে হাতি দিয়ে চাঁদাবাজী শুরু হয়েছে বলে জানা যায়। মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল থেকে কমলগঞ্জ এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক সড়কে যানবাহনের পথ বন্ধ করে চাঁদাবাজী চলে। এ ছাড়া ও শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার, ভানুগাছ, সমশেরনগর প্রভৃতি শহরের দোকানপাট ও বাসাবাড়িতে ও অবাধে চলছে চাঁদাবাজী। চাঁদাবাজ মাহুত হাতিকে দিয়ে বিকট শব্দ সৃষ্টি করে এবং অঙ্গভঙ্গি দেখিয়ে মানুষকে আত্ধংসঢ়;কগ্রস্থ’ করে চাঁদা দিতে বাধ্য করে। চাঁদার পরিমাণ কম হলে ও মাহুতহাতিকে ক্ষেপিয়ে তুলে ভয় দেখায়, এমনকি গাড়ি উল্টে দেবার অথবা ঘরের ভিতর হাতিকে ঢুকিয়ে দেবার ও হুমকী দেয়। এমন পরিস্থি’তিতে তখন আতঙ্কিত মানুষ মাহুতের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দিয়ে রেহাই পায়। শ্রীমঙ্গল শহরে জাহিদ আহমেদ জানান, তিনি হাতিকে ১০০ টাকা করে দিয়েছেন। কারণ হাতি শুঁড় দিয়ে চেপে ধরছে। ১০০ টাকার কম দিলে তা গ্রহণ করছে না। ১০০ টাকা দিলে হাতিটি পিঠে বসে থাকা মাহুদকে শুঁড় উঁচিয়ে টাকা দিয়ে দেয়। যা চাঁদাবাজির শামিল। জানা যায় এ সব হাতির মালিক জেলার বড়লেখা, কুলাউড়ার কয়েকজন বিত্তশালী ব্যক্তি এবং বিভিন্ন পাহাড় হতে বন মহালদারদের গাছের লগ নামাবার জন্য এ সব হাতিকে ভাড়ায় খাটানো হয়। পরিবহন চালক শাকিল আহমদ জানান আমরা সড়কে গাড়ি নিয়ে শহরের ভিতরে ঢুকার আগেই রাস্তায় হাতি গাড়িরর সামনে এসে দাড়িঁয়ে শুর এগিয়ে দেয় টাকা না দিলে সামনে থেকে সড়ে না। বাধ্য হয়ে আমরা ৫০ থেকে ৭০ টাকা দিতে হয়। প্রায়ই আমরা এ ভোগান্তিতে থাকি। হাতি দিয়ে চাঁদাবাজির বিষয়ে যদি কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় তাহলে আমরা সকলে উপকৃত হবো। #