Bangla Newspaper

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে প্রবল জোয়ারের চাপে খোলপেটুয়া নদীর বেঁড়িবাধ ভেঙে পাঁচ গ্রাম প্লাবিত, তলিয়ে গেছে শতাধিক মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি, পানি বন্দী হয়ে পড়েছে অর্ধ শতাধিক পরিবার-

58

 

এম শাহীন গোলদার,সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার আশাশুনির বিছটে প্রবল জোয়ারের চাপে খোলপেটুয়া নদীরবেঁড়িবাধ ভেঙে পাঁচটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিতে তলিয়ে
গেছে শতাধিক মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি। পানি বন্দী হয়ে পড়েছে অর্ধশতাধিক পরিবার।বৃহস্পবিার দুপুরে উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট গ্রামের সরদারবাড়ির সামনে ৭/২ পোল্ডার সংলগ্ন এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর তিনটিস্থানে প্রায় দেড়’শ ফুট বেঁড়িবাধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।স্থানীয়রা জানান, আগে থেকেই বাধটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। প্রবলজোয়ারের চপে হঠাৎ করেই দুপুরে বাঁধটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতেইউনিয়নের বল্লবপুর, আনুলিয়া, বিছট, ঘরালি, নায়াখালি গ্রামসহআশপাশের এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
পানি বন্দী হয়ে পড়েছে অর্ধ শতাধিক পরিবার, পানিতে তলিয়ে গেছেশতাধিক মৎস্য ঘের ও ফসলি জমি। তারা আরো জানান, বেড়িবাধটি সংস্কার
করা না গেলে পরবর্তী জোয়ারে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে।
আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আলমগীর আলম জানান, প্রায় ৬ মাস ধরেবাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও বাঁধ সংস্কারে পানি উন্নয়ন বোর্ড
কোন উদ্যোগ নেননি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলাতির কারণেইপ্রতাপনগর ইউনিয়নবাসীর আজ এই দুর্দশা। তিনি জানান, এখনই
বাঁধটি সংস্কার করতে না পারলে পরবর্তী জোয়ারে আনুলিয়া, নয়াখালী,বল্লপপুর, বাসুদেপুরসহ নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে বলে।
তিনি আরো জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কেউঘটনা স্থল পরিদর্শন করেননি।এ ব্যাপারে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাফফারা তাসনীনজানান, সংশ্লিষ্টদের দ্রæত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। বাধ সংস্কারে
উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও মশিউল আবেদীন জানান, ভাঙনকবলিত এলাকাসংস্কারে রিং বাধ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। জোয়ারের জন্য একটু সমস্যাহচ্ছে। আশা করি দ্রæত কাজ শেষ হয়ে যাবে।

Comments
Loading...