স্মরণে ম্যানিটোবার ডাঃ মুজিবুর রহমান

792
gb

দেলোয়ার জাহিদ ||

না ফেরার দেশে চলে গেলেন প্রবাসী বান্ধব ম্যানিটোবা প্রবাসী ডা. মুজিবুর রহমান. ম্যানিটোবার  উইনিপেগ সিটির একটি হাসপাতালে গত ২৫ জানুয়ারি রোজ বৃহস্পতিবার তিনি ইন্তেকাল করেছেন  (ইন্না… রাজিউন)। তাঁর অসংখ্য বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়-স্বজন রয়েছেন স্বদেশে ও প্রবাসে।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন অসুখে ভুগছিলেন। তিনি স্ত্রী ও ৪ পুত্র-কন্যা রেখে গেছেন। তার এ মৃত্যুতে বাংলাদেশি কমিউনিটি একজন অভিভাবককে হারালো। হারালো একজন আপনজনকে.

সদাহাস্যজ্বোল এ মানুষটি শুধু বাংলাদেশ কমিউনিটি নয় বরং প্রবাসী মুসলিম কমিউনিটির একজন অভিবাবক ছিলেন. তার এ শুন্যতা অপুরনীয়। স্বল্পবাসী, পরোপকারী, নিরহংকার এ মানুষটিকে অনেক কাছ থেকে দেখার ও মেলামেশার আমার সুযোগ হয়েছে. ওনার মাধ্যমেই পরিচয় ঘটেছিলো তার একবন্ধু ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক ডাঃ ফরিদ শরীফ এর সাথে। তারপর আর পিছু তাকাতে হয়নি. ড. হেলাল মহিউদ্দিনকে নিয়ে গড়ে তুলে ছিলাম বাংলাদেশ ষ্টুডেন্টস এসোসিয়েশন ইনক. ডাঃ মজিবুর ও ডাঃ শরীফ অকুন্ঠ সমর্থন ও সহায়তা দিয়েছিলেন.

ভারতের আসানশোলে ১৯৩৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন মরহুম মুজিবুর রহমান.আল-হিজরা ইসলামিক স্কুল, গ্র্যান্ড মসজিদ ও উইনিপেগ সেন্ট্রাল মসজিদ নির্মাণে তিনি  অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। ম্যানিটোবার সর্বস্তরের মানুষের কাছে শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন ডাঃ মজিবুর। সেবার জন্য ক্ষণজন্মা এ মানুষটির হাত ধরে অনেক ডাঃ কানাডায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

কানাডিয়ান-বাংলাদেশি অ্যাসোসিয়েশন (সিবিএ) এর অন্যতম পৃষ্টপোশক ছিলেন ডাঃ মুজিবুর রহমান. তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করার পাশাপাশি সেবার ব্রত নিয়ে .কমিউনিটিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আবেদন রইলো। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব সেন্টার অব আলবার্টার ও ব্যক্তিগতভাবে তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। ডাঃ মজিবুর চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন তার সেবামূলক কাজ ও বিনম্রতার জন্য.

লেখক: দেলোয়ার জাহিদ, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কানাডা ইউনিট কমান্ডের অন্যতম নির্বাহী ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব অব আলবার্টা এর সভাপতি।