কাউন্টির জন্য আইপিএলকে বাদ দিল মার্শ

890
gb

জিবিনিউজ ডেস্ক //

২০১৬ সালে আইপিএলে ৪.৮ কোটি রুপিতে তাকে কিনে নিয়েছিলো রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট। এবার নতুন নিলামে তার দর আরো বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছিলো। কিন্তু মিশেল মার্শ লোভ এড়িয়ে ফেললেন। আইপিএল নয়, কাউন্টি খেলার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি।
মাঝে কয়েক মাস ধরে নিজের ব্যাটিং নিয়ে একটু ভুগছিলেন জিওফ মার্শের এই তনয়। তবে অ্যাশেজে এসে নিজেকে দারুণভাবে খুঁজে পেয়েছেন। পার্থ ও মেলবোর্নে পরপর দুটি পরস্পরবিরোধী ইনিংস খেলে নিজের জাতটা চিনিয়ে দিয়েছেন। এবার টেস্টের এই ব্যাটিংটাকে আরো উন্নত করতেই সারের হয়ে এই মৌসুমটা খেলতে চান মার্শ। এখানে তিনি কোচ হিসেবে পাবেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ব্যাটিং কোচ মাইকেল ডি ভেনুটোকে।
মার্শ বলছেন, আইপিএল না খেলার এই সিদ্ধান্তটা মোটেও সহজ ছিলো না। কিন্তু তিনি বলেছেন, ইংল্যান্ডে আগামী কয়েক বছরে যে পরিমাণ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে হবে, তাতে এই মৌসুমটা তার ইংল্যান্ডে কাটানোই সেরা কাজ হবে, ‘এটা অবশ্যই বড় একটা সিদ্ধান্ত। বিশেষ করে অর্থের দিক থেকে। তবে আমার চূড়ান্ত লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অনেকদিন টেস্ট খেলা। আইপিএলের একটা আকর্ষণ তো ছিলো—অর্থ, ভারতে খেলা। কিন্তু এই আকর্ষণ আমি এড়িয়েছি আমার ক্রিকেটের কথা ভেবে। আগামী কয়েক বছরে ইংল্যান্ডে অস্ট্রেলিয়ার অনেক খেলা আছে। ফলে আমি এই কন্ডিশনে অভ্যস্ত হতে নিজেকে সেরা সুযোগটা দিতে চাই।’
মার্শ বলছেন, এখানে ডি ভেনুতোর সাথে কাজ করাটা একটা বড় প্রাপ্তি হবে। এ ছাড়া ইংল্যান্ডের ভিন্ন ভিন্ন ধরনের উইকেটে খেলার দারুণ সুযোগ মিলবে, ‘সর্বশেষ অ্যাশেজে আমি যখন ওখানে (ইংল্যান্ডে) গেলাম, আমি বুঝতে পারছিলাম, আমাকে অনেক উন্নতি করতে হবে। ওদের কন্ডিশনে একটা পুরো গ্রীষ্ম খেলে আশাটা বড় একটা ব্যাপার হবে। কখনো ফ্লাট উইকেটে খেলবো, কখনো সিম মুভমেন্ট ও সুইং পাবো। আশা করি, আমি এসব সামলানোর জন্য ভালো ক্রিকেট খেলতে পারবো। মাইকেল ডি ভেনুটো আছে ওখানে কোচ হিসেবে। ও আমাদের ব্যাটিং কোচ ছিলো তিন বছর। ফলে ওর সাথে আমার ভালো একটা সম্পর্ক আছে।’
মার্শ বলছিলেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান কোচ ড্যারেন লেহম্যানের সাথে আলাপ করেছেন, ভবিষ্যত্ কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারের সাথে আলাপ করেছেন। নিজের বাবা জিওফ মার্শের সাথেও কথা বলেছেন। তারা সবাই তাকে উত্সাহ দিয়েছেন, ‘আমি বুফের (লেহম্যান) সাথে কথা বলেছি, জাস্টিন ল্যাঙ্গারের সাথেও কথা বলেছি। অবশ্যই আমার বুড়ো লোকটার সাথে (বাবা জিওফ) কথা বলেছি। এরা সবাই বলেছে, এটা দারুণ একটা আইডিয়া। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটা আমিই নিয়েছি।