**দেশবাসীর প্রতি মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনীর আহবান** লকডাউন পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করুন

68
gb
5

 

ইসলামী ঐক্যজোটের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী এক বিবৃতিতে বলেছেন, ৩১ মে থেকে লকডাউন তুলে দেয়া হচ্ছে। মনে রাখতে হবে, লকডাউন ওঠে গেলেও করোনার সংক্রমণ কমেনি। দিন দিন তা দ্রুতগতিতে বাড়ছে। লকডাউন পরবর্তী সময়ে দেশবাশীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার আহবান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাস আল্লাহর ভয়াবহ গজব। এটাকে প্রতিরোধ বা মোকাবেলা করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। এই গজব থেকে বাঁচতে সচেতন থাকার পাশাপাশি আল্লাহর দরবারে তওবা ও ইস্তেগফার করতে হবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সরকারী দলের কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি লাগামহীনভাবে মিডিয়ায় করোনা প্রতিরোধের বয়ান দিচ্ছেন। লকডাউন তুলে দেয়ায় সরকারের সমালোচনায় মুখর বিরোধী পক্ষও সামাজিক ও শারিরীক দূরত্ব না মেনে ব্যাপক লোক সমাগম করে নেতার মাজার যিয়ারত করছেন। করোনার এই দুঃসময়ে আমি সরকারী ও বিরোধী পক্ষ উভয় পক্ষকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার এবং করোনা প্রতিরোধের অবাস্তব ও অলীক স্বপ্ন না দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণের সেবায় নিয়োজিত বাংলাদেশ পুলিশের সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্য করোনায় আক্রান্ত। সচিব, ডাক্তার, নার্সদের আক্রান্তের সংখ্যাও কম নয়। দেশের এই ক্রান্তিকালে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের কাছে জনগণ সহনশীল, সচেতনতামূলক বক্তব্য আশা করে। আশা করি, আপনারা বক্তব্য-বিবৃতিতে গণআকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাবেন।

ত্রাণ কাজে নিয়োজিতদের উদ্দেশ্যে বলেন, করোনা বিপর্যয়ে অনেক দল ও সংস্থা অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছে। এটা অবশ্যই প্রসংশনীয় কাজ। কিন্তু অধিকাংশ জায়গায় ত্রাণ বিতরণের নামে লোকজন জড়ো করে ফটো সেশন করা হচ্ছে। এতে দাতা ও গ্রহীতা উভয়েরই করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি বাড়ছে। ত্রাণ বিতরণে নিয়োজিত দল ও সংস্থার প্রতি অনুরোধ, সবাই স্বাস্থবিধি মেনে ত্রাণ বিতরণ করুন। গ্রহীতাদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড় করিয়ে রেখে ৮/১০জন মিলে একজনকে ত্রাণ দেয়া থেকে বিরত থাকুন। সাহায্য করতে গিয়ে কারো সম্মানহানী যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। যদি পারেন, গ্রহীতার বাড়ী গিয়ে ত্রাণ দিয়ে আসুন।

তিনি বলেন, সামাজিক দূরত্ব ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ত্রাণ বিতরণে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমি রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন সংস্থা এবং বিত্তশালী ব্যক্তিদেরকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অনুসরণ করার আহবান জানাচ্ছি।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন