করোনায় বিভিন্ন দেশে ৮৭ বাংলাদেশির মৃত্যু

84
gb
5

জিবিনিউজ 24 ডেস্ক //

মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বে প্রতিনিয়তই হাজারে হাজারে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এ ভাইরাসে বিভিন্ন দেশে মোট ৮৭ বাংলাদেশি মারা গেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে আরও ১৮ বাংলাদেশি মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশটিতে অন্তত ৫৬ বাংলাদেশি মারা গেলেন।

আর যুক্তরাজ্যে নতুন করে আট বাংলাদেশির মৃত্যুর ফলে সেখানে বাংলাদেশির মৃতের সংখ্যা হয়েছে ১৯।

প্রবাসী বাংলাদেশি ও বাংলাদেশের কূটনীতিকদের তথ্যানুযায়ী, এ পর্যন্ত নয়টি দেশে অন্তত ৮৭ বাংলাদেশি মারা গেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে মারা যাওয়া বাংলাদেশের নাগরিকের অধিকাংশই ওই দুই দেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ৫৬ ও যুক্তরাজ্যে ১৯ জনের পাশাপাশি সৌদি আরবে ৩, ইতালিতে ৩, কাতারে ২ এবং স্পেন, সুইডেন, লিবিয়া ও গাম্বিয়ায় একজন করে বাংলাদেশি মারা গেছেন।

ঢাকায় তাবলিগ জামাতসূত্রে জানা গেছে, গাম্বিয়ায় মারা যাওয়া ব্যক্তিটি আফ্রিকার দেশটিতে তাবলিগের চিল্লায় অংশ নিয়েছিলেন। এদিকে ইতালিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মজিবুর রহমান (৪৬) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকালে মিলানের সান পাওলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জানা গেছে, মজিবুর অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। সম্প্রতি হাসপাতালে ভর্তি হন। মিলানে দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাস করছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ইতালিতে এখন পর্যন্ত তিন বাংলাদেশির মৃত্যু হলো।

নানা সূত্রে আরও জানা গেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ পর্যন্ত কয়েক শ বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ২০০, ইতালিতে ৪০, স্পেনে ২৩, কানাডা ও ফ্রান্সে ২০ জন করে এবং জার্মানিতে ১০ জন।

এদিকে দেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে নতুন করে আরও ৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬১ জনে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসে বিশ্বে মারা গেছে ৫৩ হাজার ২৪০ জন। মোট আক্রান্ত হয়েছেন ১০ লাখ ১৬ হাজারের বেশি মানুষ।যুক্তরাষ্ট্রে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। প্রতিদিনই মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। কেবল নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যেই মৃতের সংখ্যা আড়াই হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। আক্রান্ত ও মৃত্যু বিবেচনায় পরের অঙ্গরাজ্যগুলো হচ্ছে নিউ জার্সি, ক্যালিফোর্নিয়া, মিশিগান ও লুইজিয়ানা। আগামী দুই সপ্তাহ পরিস্থিতি আরও নাজুক হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দেশটির মোট জনগোষ্ঠীর ৯০ শতাংশের বেশি এখন ঘরবন্দির নির্দেশনার আওতায়।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন