পশ্চিম আগনসী ইসলামী যুব সংগের উদৌগে বার্ষিক তাফসিরুল কোরআন মহা সম্মেলন সম্পন্ন। দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার রহমত কামনা

109
gb

আশরাফুল আলম সানি (মৌলভীবাজার) :

পশ্চিম আগনসী ইসলামী যুব সংগের উদৌগে স্থানীয় পশ্চিম আগনসী জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে বার্ষিক তাফসিরুল কোরআন মহা সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে।
পশ্চিম আগনসী ইসলামী যুব সংগের সভাপতি মুফিদুল ইসলাম মসিদ, সাধারন সম্পাদক মাওলানা মুসলিমুর রহমান এর যৌথ পরিচালনায় ও পশ্চিম আগনসী জামে মসজিদ কমিটির মোতাওয়াল্লী আলহাজ্ব ডা:মো:আব্দুর রউফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত তাফসিরুল কোরআন মহা-সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পবিত্র কোরআন এ পাক থেকে তাফসির ও ওয়াজ ফরমান জামিয়া লুৎফিয়া আনওয়ারুল উলুম হামিদীয়া বরুনা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা শেখ বদরুল আলম হামিদী, প্রধান বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন সুদুর ঢাকা থেকে আগত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসির এ কোরআন
হযরত মাওলানা মুফতি আমজাদ হোসেন আশরাফী, বিশেষ বক্তা হিসেবে তাফসির পেশ করেন হযরত মাওলানা মুতাসিম বিল্লাহ সেলিম নবিগঞ্জী, হযরত মাওলানা আব্দুল মজিদ মুহতামিম শ্যামরকোনা মাদ্রাসা, হযরত মাওলানা শামসুল ইসলাম সাহেব ওলিপুরী,
আগনসী হাজি মুজেঁফর ইসলামি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হযরত মাওলানা মুহিবুর রহমান, হযরত মাওলানা মুফতি নজমুদ্দিন আকিব শিক্ষক জামিয়া লুৎফিয়া আনওয়ারুল উলুম হামিদীয়া বরুনা মাদ্রাসা, শিতাশ্রী জামে মসজিদ এর খতিব ও আগনসী হাজি মুজেঁফর ইসলামি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক হযরত মাওলানা আব্দুর রব, পশ্চিম আগনসী জামে মসজিদ এর খতিব হযরত মাওলানা আবুল বাসার প্রমুখ।
মাহফিলের সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন হযরত মাওলানা আব্দুর রহিম, আব্দুল হাই, আব্দুল বাছিত, আব্দুল খালিক, আব্দুল মালিক, কাওছারুল আলম রিটন,তরুন সংগঠক মুহিবুর রহমান সাহেন, ময়ফুল আলম রাসেল , মিলাদ হোসেন শাহি,আশরাফুল আলম সানি, নুর এ আলম শাফি,সোহেল আহমদ, সাইদুর রহমান লেচু, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ। রবিবার বাদ যোহর থেকে শুরু করে হাজার এর ও অধিক মুসল্লির অংশগ্রহনে তাফসির মাহফিল চলে মধ্যরাত পর্যন্ত।
মুফতি ও মুফাসসির গন তাদের বক্তব্যে বলেন
ঈমান এবং নেক আমল আল্লাহ তাআলার নিয়ামত। দুনিয়ার সব মানুষই ঈমান এবং নেক আমলের নিয়ামত লাভে আল্লাহর রহমতের আকাঙ্ক্ষী। কারণ তাঁর রহমত ছাড়া কোনো মানুষ ঈমান লাভ করতে পারে না। আর ঈমান ছাড়া আমল কোনো কাজে আসে না।
মানুষের কাজ যত ভালো ও কল্যাণেরই হোক না কেন; ঈমান ছাড়া আমল বা কল্যাণের কাজ কোনো ভাবেই আল্লাহ তাআলার নিকট গ্রহণযোগ্য নয়। আল্লাহ তাআলা সুরা আসরে উল্লেখ করেন-
‘কসম সময়ের; নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তু তারা নয়, যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দেয় এবং ধৈর্যের উপদেশ দেয়।’
আবার যারা ঈমান গ্রহণের পাশাপাশি নেক আমল বা ভালো কাজ করেছে, তাদের জন্য আল্লাহ তাআলা অনেক সুসংবাদ প্রদান করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম সম্পাদন করে, তাদের অভ্যর্থনার জন্যে আছে জান্নাতুল ফেরদাউস। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে, সেখান থেকে স্থান পরিবর্তন করতে চাইবে না।’ (সুরা কাহাফ : আয়াত ১০৭-১০৮)
এ ঈমানের ওপরেই মানুষের ইহ ও পরকালীন জীবনের ব্যর্থতা এবং সফলতা নির্ভর করে। ঈমানবিহীন আমলের কোনো মূল্য নেই; তা কুরআনে প্রমাণিত। তাই মানুষের ভালো কাজ এবং ভালো গুণ তখনই আল্লাহর দরবারে গণ্য হবে যখন তার অন্তরে ঈমান থাকবে।

ঈমানের মেহনতের জন্য আল্লাহতায়ালা আমাদেরকে দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন। তাই আমাদেরকে সর্বাবস্থায় ঈমানের মেহনত করতে হবে।
আমাদের ঈমান তো সাহাবায়ে কেরামের কোরবানির মাধ্যমে এসেছে। সাহাবায়ে কেরাম মদিনায় আসার পর মসজিদে নববীতে রাসূল ও সাহাবায়ে কেরাম জমা হতেন। একত্র হয়ে তারা ঈমানের আলোচনা করতেন।
মসজিদ ইবাদতের জায়গা। ঈমানের আলোচনার জায়গা। হজরত উমর (রা.) গাশত করতেন। তিনি গাশত করে করে মানুষকে মসজিদমুখি করতেন। তাদেরকে ঈমানের কথা শুনাতেন। এর ফলে তাদের ঈমান মজবুত হতো।

দেশবাসীর মঙ্গল কামনা করে
বিশেষ মোনাজাত এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার রহমত কামনা করে তাফসির মাহফিলের সমাপ্তি করা হয়। মাহফিলে আগত মেহমানদেরকে মসজিদ কমিটির মোতাওয়াল্লী ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে নৈশ ভোজ প্রদান করা হয়।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন