সুন্দরগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ

104
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা ঃ

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছড়ারকুটী আল ওয়াহেদীয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারি সুপারিন্টেন্ডেন্ট মাওলানা আব্দুর রহিম মিয়া কর্তৃক দ্বিতীয় স্ত্রীকে অমানবিক নির্যাতন ও কাবিন নামায় মোহরানা প্রদানের নামে জালিয়াতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, উপজেলার কি বাড়ি ইউনিয়নের দুলাল গ্রামের মনির উদ্দিনের পুত্র মাওলানা আব্দুর রহিম মিয়া প্রথম স্ত্রীর কোন সন্তান না হওয়ায় তিনি ২য় বিয়ে করেন।

গত ২০১৫ সালের ২০ ফেব্রুয়ারী ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মোহরানায় পার্শ^বতী ছাপড়হাটী ইউনিয়নের দক্ষিণ মরুয়াদহ (সোনালের পাড়) গ্রামের দরিদ্র রঞ্জু মিয়ার মেয়ে রুমানা আক্তারকে বিয়ে করেন।

বছর যেতে না যেতেই রুমানার কোলজুড়ে আসে ১টি ফুটফুটে কন্যা সন্তান। সন্তান জন্মের পর থেকে রুমানার জীবনে নেমে আসে দুঃসহ যন্ত্রণা। মাওলানা আব্দুর রহিম ও তার ১ম স্ত্রী মিলে রুমানার প্রতি শুরু করেন অমানবিক নির্যাতন, একই সাথে যৌতুকেরও চাপ দিতে থাকেন তার স্বামী।

রুমানার বাবা দরিদ্র হওয়ায় যৌতুকের অর্থ দিতে না পারায় এক পর্যায়ে রুমানাকে নির্যাতন করে পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দেয়। অসুস্থ্য রুমানা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মহিলা ওয়ার্ডের ৩নং বেডে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এবিষয়ে নির্যাতিতা রুমানা আক্তার, মা মমতা বেগম ও বাবা রঞ্জু মিয়ার সাথে কথা হলে তারা জানান, বিয়ের সময় ধার্যকৃত মোহরানার শুধু মাত্র ১ হাজার টাকা মূল্যের ১টি নাকফুল দিয়ে বিয়ে করেন। বর্তমানে অসুস্থ্য রুমানা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এছাড়াও কথা হয় রুমানার ছোট্ট শিশুকন্যা হাবিনা সুলতানা রিয়ার সাথে। সে জানায়, আম্মুকে আব্বু ও বড় আম্মু (রহিমের ১ম স্ত্রী) কারেন্ট দিয়ে মেরে পায়খানার ট্যাংকের ভিতরে রেখে দিতে চায়।

এব্যপারে মোবাইল ফোনে কথা হলে মাওলানা আব্দুর রহিম মিয়া জানান, আমি এখন খুব ব্যস্ত আছি, আপনার সাথে কথা বলার সময় আমার নেই।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন