ফগার মেশিন দিয়ে মশা নিধনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু পৌরসভার

113

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি \

মৌলভীবাজার জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সর্তক থাকার পরামর্শ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের। মশা নিধনে তৎপর হয়েছে মৌলভীবাজার পৌরসভা। গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেল পর্যন্ত মৌলভীবাজারে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৩০ জনে। মৌলভীবাজার সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৩০জন। মৌলভীবাজার সদর ২৫০শর্য্যা হাসপাতালে ৯ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন, ৫ জন মৌলভী পলি ক্লিনিকে, ১ লাইফ লাইন হাসপাতালে এবং বাকী ১১ জন চিকিৎসকের পরামর্শে নিজ বাড়িতে আছেন। আক্রান্ত ৪ জনকে সিলেটে রেফার্ড করা হয়েছে। রোগিদের অবস্থা গুরুত্বর হলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ডেঙ্গু আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ২৫০শর্য্যা হাসপাতালের চতুর্থ তলায় আলাদা ডেঙ্গু কর্ণার চালু করা হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। কিছু ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী সুস্থ হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও বিশ্রামে রাখতে হবে। আক্রান্তদের প্রচুর পানি ও তরল খাবার খাওয়াতে হবে। ডেঙ্গু আক্রান্তরা অন্য কোন ঔষধ সেবন না করে শুধু মাত্র প্যারাসিটামল খাবেন। এবং লেবুর শরবত পান করা ও ডেঙ্গু মোকাবেলায় জনসাধারণকে মশারি টাঙ্গিয়ে ঘুমোতে বলছেন চিকিৎসকরা। মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ডা. শাহজাহান কবির চৌধুরী বলেন ডেঙ্গু মোকাবেলায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক রয়েছে। মৌলভীবাজার জেলায় ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ডেঙ্গু চিকিৎসার জন্য প্রস্তুতি রয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৌলভীবাজারে এখনো কারো মৃত্যু হয়নি। এজেলার আক্রান্তরা তত বেশী গুরুতর নয়। এদিকে গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকেলে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজ এলাকায় পৌরসভার উদ্যোগে ফগার মেশিন দিয়ে ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিধনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই মশা নিধনের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক নাজিয়া শিরিন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মামুনুর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এসবি) সারোওয়ার আলম,সিভিল সার্জন মো: শাহজাহান কবির,মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান,সাংবাদিক সালেহ এলাহী কুটি। পৌর মেয়র বলেন ৬টি ফগার মেশিন দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হল ডেঙ্গু নিধন না হওয়া পর্যন্ত এই মশা নিধন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।