এমপি আব্দুস শহীদকে হত্যার উড়োচিঠি নিয়ে তাজুল ইসলামের সংবাদ সম্মেলন

84
gb

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি \

নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের দরগাহ পুর গ্রামের মোঃ তাজুল ইসলাম লুলু। জীবন ও জীবিকার তাগিদে ছোট একটি ব্যবসা পরিচালনা করছেন ও তার সাথে কারো পূর্ব শত্রুতা বা বিরোধ নেই। বুধবার ১৯জুন দূপুরে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তাজুল জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক চীপহুইপ উপাধ্যক্ষ ড. আব্দুস শহীদকে হত্যার উড়োচিঠির ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে তাঁর নাম ব্যবহার করা ও তাকে আইএসআই এর সংগঠক বলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। হত্যার হুমকির বিষয়টি কয়েকটি মুদ্রণ, অনলাইনসহ সোস্যাল মিডিয়াতে তাকে ও তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তাজুল জানান, ওই উড়োচিটি তাঁকে ফাঁসানোর জন্য তাঁর শত্রুপক্ষ এই ষড়যন্ত্র করছে। তাজুল উড়োচিঠির বিষয়ে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান। ওই সংবাদে আমাকে ও আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মৌলভীবাজার হিজামা এন্ড রুকিয়া সেন্টারকে জড়িয়ে একটি চিঠির বরাদ দিয়ে আমার পার্শ্বর্বর্তী গ্রামের বাসিন্দা আমার প্রিয় ও শ্রদ্ধাভাজন মৌলভীবাজার-৪ (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ড. উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ মহোদয়কে একটি উড়োচিঠিতে তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে মর্মে জানানো হয়। সেই চিঠিতে হত্যার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে আমাকে ও হত্যার পরিকল্পনার স্থান হিসেবে আমার প্রতিষ্ঠান মৌলভীবাজার হিজামা এন্ড রুকিয়া সেন্টার এর নাম উলে­খ করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ষড়যন্ত্রমূলক একটি উড়োচিটি। তার ধারনা ফাঁসানোর জন্য আমার শত্রুপক্ষ এই ষড়যন্ত্র করছে। দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য সার্বজনীন ব্যক্তিত্ব আব্দুস শহীদ এমপি আমারও পরম শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তি। তিনি ব্যক্তিতগতভাবে তার একজন শুভাকাঙ্খি। ওই চিঠিতে তাকে বলা হয়েছে আইএসআই এর সংগঠক। তিনি এর তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানান ও এধরনের নিকৃষ্ট কর্মকান্ডের সাথে তিনি বা তার পরিবারের কোন সম্পর্ক কখনও ছিলনা ও বর্তমানেও নেই। চিঠির ভেতরে তার নাম ব্যবহার করে একজন সংসদ সদস্যকে হত্যার হুমকি প্রদানের পর তিনি সমাজিকভাবে ও আইনগতভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা তাকে নানা ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করছে। এতে করে তিনি ও তার পরিবার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। তিনি তদন্তের বিষয়ে সংস্থা গুলোকে সহযোগিতাও করছেন বলে জানান। তাজুল সাংবাদিকদের কাছে একটি বিষয় তোলে ধরেন, যিনি প্রেরক খামের উপরে লিখা আছে- ‘সুজন মিয়া, কদমতলী, সিলেট। ওই চিটিতে সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তার প্রশ্ন হচ্ছে সুজন মিয়া নামের জৈনক ব্যাক্তি হত্যার ষড়যন্ত্রের বিষয়টি জেনেছেন, তিনি হাতে লিখে ডাক বিভাগের মাধ্যমে চিটি না পাঠিয়ে মুঠোফোনে আথবা সরাসরি মাননীয় সংসদ সদস্যকে ষড়যন্ত্রের বিষয়টি জানাতে পারতেন। যারা আমাকে বিশ্বব্যাপী চরম নিন্দিত,ঘৃনিত ও মুসলমানদের জন্য ক্ষতিকর ও বির্তকিত আইএসআই এর সংগঠক বানিয়ে সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করতে চাচ্ছেন তাদের চিহ্নিত করে প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনের দাবী করেন ও পাশাপাশি তার প্রিয় ব্যাক্তি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ ও তাকে নিয়ে এরকম ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জানান ও সংসদ সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। উলে­খ্য গত ১৩ জুন উড়োচিঠি সংসদ সদস্যের শ্রীমঙ্গলস্থ বাসার ঠিকানায় ডাক বিভাগ থেকে পৌছে। চিটিতে প্রেরকের নাম সুজন মিয়া, কদমতলী সিলেট উলে­খ করা হয়েছে। এরপর থেকে কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ সব সংগঠন প্রতিবাদ সভা, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে আসছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, তাজুলের নানা খন্দকার সৈয়দ আব্দুস সালাম ও ছোট ভাই লোকমান আহমদ প্রমুখ।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More