সোমবার ভারতে চিকিৎসকদের ধর্মঘট

91
gb

ভারতের কলকাতায় এনআরএস মেডিকেল কলেজে চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদে আগামী সোমবার ভারত জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিল ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)।

একমাত্র জরুরি বিভাগ ছাড়া ওই দিন হাসপাতালগুলিতে সব ধরনের চিকিৎসা সেবা বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে চিকিৎসদের সব চেয়ে বড় এ সংগঠনটি।

একইসঙ্গে শনি ও রোববার ভারত জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচিও পালন করার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

কলকাতার ঘটনায় চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে নতুন আইন করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছেও দাবি জানিয়েছেন আইএমএ নেতারা।

হাসপাতাল চত্বরকে ‘সেফ জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করারও দাবি করেছে সংগঠনটি। সন্ধ্যায় দিল্লির রেসিডেন্ট ডাক্তারদের সংগঠন জানিয়েছে, শনিবারও রাজধানীর ১৪টি সরকারি হাসপাতালে ধর্মঘট পালিত হয়।

শনিবার থেকে পশ্চিমে মুম্বই, দক্ষিণে তিরুঅনন্তপুরম থেকে উত্তরে হৃষীকেশ— কার্যত গোটা ভারতের চিকিৎসকেরা কলকাতার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তায় নামেন।

বিভিন্ন শহরে এ দিন কর্মবিরতি পালন করেন তারা। রাজধানীর দু’টি সরকারি হাসপাতাল এমস ও সফরদরজঙ্গ হাসপাতালে এ দিন অধিকাংশ চিকিৎসক কাজে যোগ দেননি।
যদিও পরে জানানো হয়, জরুরি বিভাগসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ এ দিন খোলা ছিল। ওই হাসপাতালের দুই হাজারের কাছাকাছি চিকিৎসক ও চিকিৎসা কর্মী অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন।

বাকিরা নিয়ম মাফিকই কাজ করেছেন। পরে দু’টি হাসপাতালের ডাক্তারদের একটি প্রতিনিধি দল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনের সঙ্গে দেখা করেন। দোষীদের অবিলম্বে শাস্তি ও কাজের জায়গায় সুষ্ঠু পরিবেশের দাবি তোলে প্রতিনিধি দলটি।

দিল্লি ছাড়া চিকিৎসকদের সব চেয়ে বড় বিক্ষোভের খবরটি এসেছে মহারাষ্ট্র থেকে। রাজ্যের ২৬টি সরকারি হাসপাতালের প্রায় সাড়ে চার হাজার চিকিৎসক যোগ দেননি।

হায়দরাবাদে নিজাম ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্স ও সেকেন্দ্রাবাদে গান্ধী মেডিকেল কলেজের সামনে বিক্ষোভ অবস্থান করেন জুনিয়র ডাক্তারেরা। মুম্বইয়ের সিওন হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্রতিবাদ জানান মৌন মিছিলে।

কাজ বন্ধ ছিল ভোপাল ও হৃষীকেশের এমসে। উত্তরপ্রদেশ ও পঞ্জাবে চিকিৎসকেরা কালো ব্যাজ পরে রুগী দেখেন। পথে নামেন বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সের চিকিৎসকেরাও। মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শুক্রবার রাত পর্যন্ত প্রায় ৪০ জন চিকিৎসক গণপদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আগে যেটুকু সেবা পাচ্ছিলেন রোগীরা, ডাক্তারদের ইস্তফার কারণে সেটুকুও আর মিলছে না। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে রোগীদের।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More