হোয়াইট হাউসে ব্রিটিশ রাজদম্পতি, চলছে জমকালো আয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রে রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলার রাষ্ট্রীয় সফরের দ্বিতীয় দিনে হোয়াইট হাউসে জমকালো কূটনৈতিক আয়োজনে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।

০৫

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রথম দিনেই ব্রিটিশ রাজদম্পতিকে অনানুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে চা পানের মাধ্যমে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ সম্পন্ন হয়। এরপর তারা ব্রিটিশ দূতাবাসের বাসভবনে আয়োজিত একটি গার্ডেন পার্টিতে অংশ নেন, যেখানে দুই দেশের আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে রাজদম্পতির অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় হয়।

 

903

দ্বিতীয় দিনে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় হোয়াইট হাউসে। দক্ষিণ লনে মার্কিন সেনাবাহিনীর হারল্ড ট্রাম্পেটসের অংশগ্রহণে রাজ দম্পতিকে দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় আগমন সংবর্ধনা। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য সর্বোচ্চ কূটনৈতিক সম্মান হিসেবে বিবেচিত।

666

ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প সাদা পোশাকে উপস্থিত হন।

মেলানিয়া ট্রাম্প পরেছিলেন আমেরিকান ডিজাইনার রালফ লরেনের সিল্ক ও উলের জ্যাকেট, এরিক জাভিটসের স্ট্র হ্যাট এবং মানোলো ব্লাহনিকের জুতা। 

 

কূটনৈতিক শিষ্টাচার অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় সফরের প্রতিটি পোশাক নির্বাচন দীর্ঘ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

5555

ঐতিহ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডি রাজা চার্লস ও রানী ক্যামিলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। ১৮শ শতাব্দী থেকেই  এই প্রথা চলে আসছে।

 

 

342

সেই প্রথা অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট এবং ফার্স্ট লেডি সামরিক রাষ্ট্রীয় আগমন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রাজ দম্পতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়ে থাকেন।

6666

এটি  যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক কোনো বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানকে দেওয়া সর্বোচ্চ কূটনৈতিক সম্মান। জমকালো এই আয়োজন নিয়ে আগ্রহ থাকে জন সাধারণেরও।

09

রাজা ও রানী উভয় দেশের সরকারি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

74

এরপর মঞ্চে গিয়ে প্রেসিডেন্টের সালাম ব্যাটারি দ্বারা ২১ বার তোপধ্বনি এবং “দ্য প্রেসিডেন্ট’স ওন” মার্কিন মেরিন ব্যান্ডের মাধ্যমে উভয় দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হবে।

 

088

এরপর রাজা চার্লস এবং ট্রাম্প সামরিক বাহিনীর পরিদর্শন করবেন এবং প্রেসিডেন্ট কিছু বক্তব্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করবেন।

এদিকে সফরের বাইরে রাজনৈতিক আলোচনাও উঠে আসে। যুক্তরাষ্ট্র যখন ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে নিজের কথিত পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ব্রিটিশ রাজপরিবারের সঙ্গে নিজের কথিত পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে মন্তব্য করে লেখেন, ‘ওয়াও, এটা দারুণ। আমি সব সময় বাকিংহাম প্যালেসে থাকতে চেয়েছি! আমি কয়েক মিনিটের মধ্যে রাজা ও রানির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলব!’

321

ট্রুথ সোশ্যালে শেয়ার করা পোস্টে ট্রাম্প ডেইলি মেইলের একটি প্রতিবেদনও যুক্ত করেন।

ডেইলি মেইলের সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং রাজা তৃতীয় চার্লস উভয়েই জন স্টুয়ার্ট, তৃতীয় আর্ল অব লেনক্স-এর বংশধর।

ট্রাম্প অতীতে যুক্তরাজ্য, ইউরোপ এবং ন্যাটো জোটের সমালোচনা করলেও ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রতি তার দীর্ঘদিনের আগ্রহ এবং ব্যক্তিগত আকর্ষণ সুপরিচিত।

জিবি নিউজ24ডেস্ক//

gbn

মন্তব্যসমূহ (০)


ব্রেকিং নিউজ

লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন