হঠাৎ বৃষ্টিতে পলাশবাড়ীর কাঁচা ইট নষ্ট, ক্ষতির মুখে মালিকরা

43

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা //

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীসহ পুরা জেলা জুড়ে গত কয়েক দিন হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ায় ৪১ টি ইটভাটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃষ্টিতে অধিকাংশ কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ভাটার মালিক ৫ নং মহদীপুর ইউপি চেয়ারম্যান পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলামা। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন সে সহ ৪১ ইট ভাটার মালিকরা। যার কারণে সাময়কিভাবে ইটভাটাগুলো বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জানা যায়, শুষ্ক আবহাওয়া থাকায় প্রতিবছর এই সময়ে ইট তৈরি করা হয় ভাটাগুলোতে। কাঁচা মাটি রোদে শুকিয়ে নিয়ে আগুনে পুড়ে প্রস্তুত করা হয় ইট। কিন্তু এবার মাঘ মাসের শেষের দিকে গত শুক্রবার বিকাল থেকে শুরু হয় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। রাতে তা ক্রমেই বাড়তে থাকে। শনিবারও দিনভর চলে বৃষ্টিপাত। পলাশবাড়ী টু গাইবান্ধা রোডের সাইডে মহদীপুর ইউনিয়নের কেত্তারপাড়ায় অবস্থিত ব্রিক্সের ম্যানেজার শরিফুল বলেন, ‘আমাদের ইটভাটায় প্রায় ৬ লাখ কাঁচা ইট রোদে শুকাতে দেওয়া আছে। শুক্রবার বিকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় কাঁচা ইট রক্ষায় প্রায় এক লাখ টাকার পলিথিন কেনা হয়েছে। কিন্তু এরপরও প্রায় তিন লাখ কাঁচা ইট নষ্ট হয়ে গেছে। যেটুকু কাঁচা ইট চাতালে রয়েছে, সেগুলোও আংশিক গলে গেছে।’ মাটি থেকে কাঁচা ইট তৈরি করতে শ্রমিক খরচসহ প্রতিটি ইটে খরচ হয় প্রায় তিন টাকা। এতে তাদের ভাটার প্রায় ৯ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। ঠুটিয়া পাকুরের ইটভাটা মালিক মুকুল বলেন, ‘এক হাজার কাঁচা ইট তৈরি থেকে শুকানো পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ পড়ে। এই অবস্থায় ১ লাখ কাঁচা ইট নষ্ট হওয়া মানে প্রায় ৩ লাখ টাকা নষ্ট হওয়া।’ তিনি আরও বলেন, ‘বৃষ্টির আশঙ্কায় কাঁচা ইটে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়ার পরও তা রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। এতে আবার নতুন করে ইট তৈরি না করা পর্যন্ত ইটভাটা বন্ধ রাখার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ছবি ০১

মন্তব্য
Loading...