নিহত ৫ যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতার জানাজা একসঙ্গে

73
gb

খুলনার রূপসা ব্রিজ এলাকায় রোববার রাতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ ও যুবলীগ পাঁচ নেতার পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

দুর্ঘটনার খবর গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছালে নিহতদের পরিবার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। স্তব্ধ হয়ে ওঠে গোটা শহর।

সোমবার বাদ জোহর শহরের শেখ ফজলুল হক মনি স্মৃতি ফুটবল স্টেডিয়ামে পাঁচ যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও শহরের আশপাশ থেকে লোকজন জড়ো হচ্ছেন। জানাজা শেষে আজকেই তাদের দাফন সম্পন্ন হবে বলে পারিবারিক সূত্র জানায়।

শহরের থানাপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনায় নিহত গাজী ওয়ালিদ মাহমুদ উৎসবের পরিবারে চলছে এখন শোকের মাতম। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় গোটা পরিবার। স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় থানাপাড়া এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

উৎসব জেলা আওয়ামী লীগ নেতা গাজী মিজানুর রহমান হিটর ছেলে ও প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর বড় ভাইয়ের ছেলে।

সোমবার বাদ জোহর নিহত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের একসঙ্গে জানাজার হবে বলে দলীয় একটি সূত্রে জানা গেছে।

লবণচরা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, রোববার বন্ধু সাদিকের সদ্য কেনা প্রাইভেটকারে খুলনায় বেড়াতে যান পাঁচ বন্ধু। রাত পৌনে ১২টার দিকে খুলনা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে ফিরছিলেন তারা। পথে রূপসা ব্রিজের কাছে লবণচরা এলাকায় পৌঁছলে একটি সিমেন্টবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে প্রাইভেটকারটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন পাঁচ বন্ধু।

নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক বাবু (২৬), সদর থানা যুবলীগের সহসভাপতি সাদিকুল আলম (৩২), জেলা ছাত্রলীগের উপ-ছাত্র উপবৃত্তিবিষয়ক সম্পাদক গাজী ওয়ালিদ মাহমুদ উৎসব (২৫), জেলা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক সাজু আহমেদ ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অনিমূল ইসলাম (২৪)।

নিহতদের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলা শহরের সবুজবাগ, থানাপাড়া ও গেটপাড়া এলাকায়।

gb
মন্তব্য
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More