কমেছে গম চাষ, চাষির আগ্রহ ধান-সবজি আবাদে

170
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা  ||

গত ১০ বছর আগেও গাইবান্ধার সাতটি উপজেলার মাঠ পর্যায়ে প্রায় ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষ করেছে চাষিরা। তবে দেশের আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবসহ নানা রোগের কারণে গম চাষ করার প্রতি বর্তমানে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে চাষিরা।

ফলে প্রতি বছরে গমের আবাদ ক্রমান্বয়ে কমতে থাকে। এরই ফলশ্রতিতে চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অর্জিত হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৯২৫ হেক্টর।

স্থানীয় চাষি সাহেব উদ্দিন জানান, এক দশক আগেও গম চাষ করে ভালো মুনাফা পাওয়া যেত। এখন ব্লাস্টসহ নানা রোগের প্রাদুর্ভাবে ওই সব জমিতে গম চাষাবাদে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে লাভের আশায় এখন ইরি-বোরো ধান ও অন্যান্য সবজি উৎপাদন করা হচ্ছে।

চাষি মকবুল বলেন, ‘গম চাষে তেমন লাভ না থাকায় শুধু নিজেদের খাওয়ার প্রয়োজনে এবার ১০ শতক জমিতে গমের আবাদ করেছি।’

গাইবান্ধা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তানজিমুল হাসান জানান, বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গম ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। এ কারণে গমের উৎপাদন ক্ষমতা কমে গেছে। সেই সঙ্গে দেশের বাইরে থেকে গম আমদানি করায় চাষিরা ন্যায্য মূল্য থেকে বি ত হচ্ছে।

গাইবান্ধা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) শওকত ওসমান জানান, ভৌগলিক অবস্থানের কারণে গাইবান্ধা অ লের জমিগুলো গম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। আর সঠিক সময় বীজ বপন করলে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ হয় না। এবার সময় মতো উঁচু জমিতে বারি-২৯ ও ৩৩ জাতের গম আবাদের জন্য চাষিদের পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। চলতি মৌসুমে ২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অর্জিত হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৯২৫ হেক্টর। ফলে এবারেও ঘাটতি রয়েছে।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More