শুরু হয়ে গেছে মেসি-নেইমারের লড়াই

3,051
gb

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশের ফুটবল আইকন এই দুই তারকার মাঝে এখন সেই বন্ধুত্ব অতীত। এরই মধ্যে মেসি-রোনালদোর সঙ্গে বর্ষসেরা ফুটবলারের তালিকায় হামলা চালিয়েছেন নেইমার।

ভিন্ন এক লড়াইয়ে এবার মেসিকে হারিয়ে দিয়েছেন নেইমার। অনেকেই বলছেন, মেসির ছায়া থেকে বেরিয়ে আসার জন্যই নেইমারের বার্সা ছাড়ার যে গুঞ্জন সেটাই যেন বাস্তবতার মুখ দেখছে। ফুটবলের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়ে গেছে তাদের। ফিফার সেরা ফুটবলারের পুরস্কারের সংক্ষিপ্ত তিনের তালিকায় মেসি-রোনালদোর সঙ্গে জায়গা করে নেওয়া নেইমার এবার ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের সেরা ড্রিবলিংয়ের তালিকায় সবার উপরে।

ইউরোপের সেরা ড্রিবলিংয়ের পরিসংখ্যান বলছে, সেরা পাঁচ ইউরোপিয়ান লিগে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সফল ড্রিবলার নেইমার। মেসি খুব পিছিয়ে না থাকলেও সাফল্যের হারে সাবেক সতীর্থের কাছে হেরে গেছেন। চলতি মৌসুমে ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে ৭২ থেকে ৪৬টি ড্রিবলিংয়ে সফল হয়েছেন পিএসজির ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। অর্থাৎ ৭২টি ড্রিবলিং করে নেইমার ৪৬ বার সফলভাবে কাটিয়েছেন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে। ব্রাজিলিয়ান তারকাকে আটকাতে ৩০ বার ফাউল করেছেন প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়রা, তার সমান ফাউলের শিকার হয়েছেন কেবল বোর্দোর ম্যালকম।

প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে হারানোর রেট ৬৪ শতাংশ।

নেইমারের পরেই অবস্থান আর্জেন্টাইন আইকন বার্সার মেসির। ৬৮ ড্রিবলিং থেকে ৪২টিতে সফল হয়েছেন তিনি। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে হারানোর রেট ৬২ শতাংশ। ৫০টি থেকে ৩৫টি সফল ড্রিবলিং করে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন লিঁওর নাবিল ফেকির। সাফল্যের হার শতকরা ৭০ ভাগ। চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে জুভেন্টাসের আর্জেন্টাইন তারকা পাওলো দিবালা এবং আলেজান্দ্রো গোমেজ। দুই জনেরই সফল ড্রিবলিং সমান ২৬টি।

তবে গোল করার ক্ষেত্রে মেসি কিন্তু অনেক এগিয়ে। এখন পর্যন্ত সব ধরনের প্রতিযোগিতায় মেসি করেছেন ১১টি গোল। সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও দুই গোল। যেখানে নেইমারের গোল সংখ্যা ছয়টি। তবে করিয়েছেন সর্বোচ্চ পাঁচ গোল। নাবিল ফেকির নেইমারের সমান করেছেন ছয় গোল। গোল করিয়েছেন তিনটি।