শিক্ষা ক্ষেত্রে জেলার অগ্রগন্য ছাতক ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগে উন্নীত হবে -উপজেলা চেয়ারম্যান বকুল চৌধুরী

188
gb

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  ||

সুনামগঞ্জের ছাতকে শিক্ষার হার অভুতপূর্ণভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় পালিত হবে নাগরিক উৎসব। ২১ শে ফেব্রয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে এখানে নাগরিক উৎসব পালিত হবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সাফল্য নিয়ে সামনে দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ছাতক উপজেলা। বিগত ৫ বছরে শিক্ষার হার অন্তত দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে জেলার মধ্যে ছাতক অগ্রগন্য উপজেলা হিসেবে ইতিমধ্যেই স্থান করে নিয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে ছাতক উপজেলায় শিক্ষার হার শতভাগে উন্নীত হবে। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে শতভাগ শিক্ষিত জাতি ছাড়া সম্ভব নয়। এক বিবৃতিতে ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল এসব কথা বলেন। আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনস্কোর ডেফিনেশন অনুযায়ী, পড়তে ও সাক্ষর করতে পারা লোকনজকেই শিক্ষিত বলা হয়ে থাকে। এ সংজ্ঞা অনুযায়ী বর্তমানে ছাতক উপজেলার শিক্ষার হার শতকরা ৯৫ভাগ বলে তিনি দাবী করছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ফলাফলে জেলার শীর্ষ বিদ্যাপীঠ হিসেবে কৃতিত্ব অর্জন করেছে ছাতকের মন্ডলীভোগ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। শতভাগসহ ৪৩টি জিপিএ-৫ লাভ করেছে এ বিদ্যাপীঠ। ২০১৪ সালে এ উপজেলার শিক্ষার হার ছিল শতকরা ৩৮ ভাগ। বর্তমানে সেই হার দ্বিগুন বৃদ্ধি পেয়ে শতকরা ৯৫ভাগে উন্নীত হয়েছে এবং ২০২১ সালের মধ্যে তা শতভাগে উন্নীত হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
জানা যায়, একটি প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ছাতক উপজেলা। শিল্প সমৃদ্ধ এ উপজেলায় রয়েছে ১১টি কলেজ। এর মধ্যে ১টি সরকারী, ৩টি অনার্সসহ ৪টি ডিগ্রি কলেজ। প্রতিটি কলেজেই রয়েছে পর্যাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী। ৬৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১টি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও ১টি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। গোটা উপজেলায় রয়েছে ২শ’৫টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। এ ছাড়া উপজেলা সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে গণশিক্ষা কেন্দ্র ১শ’২১টি, আনন্দ স্কুল ১শ’৩৯টি, কিন্ডারগার্টেন ৬৯টি ও এনজিও সংস্থা ব্র্যাকের নিয়ন্ত্রনাধীন ব্র্যাকস্কুল ২৫টি। এদিকে, উপজেলার মাদ্রাসার মধ্যে ১৯টি দাখিল, ২টি ফাজিল, ২টি আলিম ও ১টি কামিল মাদ্রাসা রয়েছে। এ ছাড়া এবতেদায়ী মাদ্রাসা ২১টি, ইসলামী ফাউন্ডেশন নিয়ন্ত্রিত ১শ’১৬টি ধর্মীয় শিক্ষা কেন্দ্র ও মন্দির ভিত্তিক স্কুল ৫টি রয়েছে উপজেলাজুড়ে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রয়েছে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার শিশু শিক্ষার্থী। শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিচালনা পর্ষদ ও অভিভাবকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবং উপজেলা শিক্ষা কমিটির সার্বিক তত্ত¡াবধানে এখানের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্রমেই সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এই ওয়েবসাইটটি আপনার অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কুকি ব্যবহার করে। আমরা ধরে নিচ্ছি যে আপনি এটির সাথে ঠিক আছেন তবে আপনি চাইলে অপ্ট-আউট করতে পারেন Accept আরও পড়ুন