Bangla Newspaper

ঝিনাইদহে পাম চাষিরা মহাবিপাকে

39

ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি ||

জেলার চাষিরা পাম আবাদ করতে গিয়ে মহাবিপাকে পড়েছে প্রায় /১০ বছর আগে লাগানো গাছ গুলোতে ফল আসছে। কিন্তু ফল কোথায় বিক্রি হবে, জানা নেই চাষিদের। বিক্রি করতে না পেরে গাছেই ফল গুলো নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে আবার চারা বিক্রিরতুর ডেভোলপমেন্টকোম্পানীর অফিস কর্মাকর্তাদের হদিস মিলছেনা।

সদর উপজেলার বাজার গোপালপুরের আব্দুল লতিফ জানান, ২০০৭/ সালের দিকে প্রায় দুবিঘা জমিতে সাড়ে শটি পাম গাছের চারা রোপন করি। তখন প্রায় ৭৫ হাজার টাকা খরচ হয়। গাছ গুলোতে গত কয়েক বছর ফল আসছে। কিন্তু কোথায় বিক্রি করতে হবে, কৃষি বিভাগে খোঁজ নিয়েও বিক্রির জায়গা পাচ্ছিনা। আবার যে কোম্পানীর কর্মিদের কথায় গাছ লাগিয়েছি তাদেরও কোন খোঁজ পাচ্ছিনা। অফিসও উধাও হয়ে গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৭/০৮ সালে শহরের ব্যাপারি পাড়ায়তুর ডেভোলপমেন্টনামের কোম্পানি অফিস খুলে বসেন। তারা মাঠ পর্যায়ে আকর্ষণীয় বেতন ভাতার প্রলোভন দেখিয়ে কর্মি নিয়োগ দেন। ব্যাপক ভাবে প্রচার এবং চারা বিক্রির জন্য কর্মিদের প্রশিক্ষনও দেয়। কোম্পানী জেলা প্রশাসক, জেলা প্রশসাক পরিষদ, মৎস্য হ্যাচারি, পৌরসভাসহ কমপক্ষে ১০টি স্থানে ফ্রি ভাবে গাছের চারা রোপন করেন।

তুর ডেভোলপমেন্টকোম্পানীর প্রজেক্ট ম্যানেজার সালাউদ্দিন নামে কৃষকদের নিকট দেয়া ০১৯১১১৯৯২৯৭ মোবাইল নম্বরে যোগযোগ করেও পাওয়া যাইনি।

এবিষয়ে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহা. মোফাখারুল ইসলাম বলেন, পান চাষে কৃষকদের নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। অন্য আবাদ করলেও কৃষকরা ভাল লাভোবান হতে পারবেন

 

Comments
Loading...