গাইবান্ধা-৫: ফজলে রাব্বী মিয়ার সপ্তম জয়

112
gb

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা ||

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনে আওয়ামী লীগ প্রাথী অ্যাড. ফজলে রাব্বী মিয়া আবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এ নিয়ে এ আসনে তিনি সপ্তম বারের মতো জয় পেলেন।
রবিবার রাতে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মতিন বেসরকারিভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
নৌকা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ৪৬হাজার ৩২৩ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকে ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ১৩ হাজার ৫৫৩ ভোট। ভোট পড়েছে ৮৭.৫৮ শতাংশ। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৫ জন।
ফজলে রাব্বী মিয়া এর আগে ৬ বার বাংলাদশে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৭ম, ৯ম ও ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নির্বাচিত হন। ১৯৯০ সালে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। দশম সংসদে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালরে ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা ফয়জার রহমান এবং মাতা হামিদুন নেছা। ১৯৬১ সালে তিনি গাইবান্ধা কলেজে ভর্তি হন। তিনি বিএ এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
পেশায় আইনজীবী ফজলে রাব্বী মিয়া রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন। ১৯৬৮ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সনদ লাভ করেন। এরপর ১৯৮৮ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হন।
১৯৫৮ সালে রাজনীতিতে আসেন ফজলে রাব্বী মিয়া। তখন তিনি অষ্টম শ্রেণিতে পড়তেন। ১৯৫৮ সালে আইয়ুুব খান পাকিস্তানে মার্শাল ল’ চালু করেছিলেন। সে সময় ফজলে রাব্বীর চাচা ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। চাচার মাধ্যমে তিনি মার্শাল ল’ বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। এভাবেই তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। ১৯৬২-৬৩ সালে শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলন করেছিলেন।
১৯৭১ সালে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করনে। তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশি^ক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।
ফজলে রাব্বী মিয়ার স্ত্রীর নাম আনোয়ারা রাব্বী। ফাহিমা, ফারহানা ও ফারজানা নামে এই দম্পতির তিনজন কন্যা সন্তান আছে।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More