গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ওপর হামলা।। ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন

194
gb
# সৈয়দ নাজমুল হাসান, ঢাকা।।

রাজধানীর কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়ার চৌরাস্তায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে ঢাকা-৩  আসনে বিএনপি প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের ওপর হামলা হয়। পরে আহতাবস্থায় তাকে রাজধানীর বিজয়নগর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হামলয় গয়েশ্বরসহ ১৫-২০ নেতাকর্মী আহত হন।

ঘটনার জন্য গয়েশ্বর শিবির আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দায়ী করলেও তারা পাল্টা হামলার অভিযোগ তুলেছে বিএনপির বিরুদ্ধে। আর পুলিশ বলছে, ই পক্ষের সংঘর্ষে গয়েশ্বরসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির স্থানীয় এক নেতা জানান,  দিনভর গয়েশ্বর রায়ের নির্বাচনী প্রচার শেষে বিএনপির শ’ খানেক নেতাকর্মী সাবান কারখানার সামনে দিয়ে বের হন। তখন তারা দেখেন কিছু দূরে আওয়ামী লীগের অন্তত দেড়শ নেতাকর্মী অবস্থান করছেন। তখন তারা সংঘাতের আশঙ্কায় পশ্চিম পাশ দিয়ে অন্য পথে যান।

গয়েশ্বর রাজধানীর কাকরাইলে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যান। সেখানে বক্তব্যে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন তিনি ।

তিনি বলেন, “আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা সাহেবকে বলছি, আপনি এই ঘটনা তদন্ত করুন। তদন্ত করেন কে দোষী? আপনার এই ধরনের লাগামহীন অর্থাৎ দায়িত্ব পালন না করে সরকারকে সন্তুষ্ট করার যে আপনার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সেই কারণেই ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ও পুলিশের লোকেরা এতো দুঃসাহস দেখাচ্ছে। তা না হলে তারা এটা দেখাতে পারত না।

তিনি আরো বলেন,  “আমি একটা জিনিস বুঝি। ৭১সালের যুদ্ধে বেঁচে গেছি। ৪৭ বছর বেঁচে আছি। ৩০ তারিখের নির্বাচনকে আমি মনে করি, গণতন্ত্রের যুদ্ধ। রক্ত যখন গেছে প্রয়োজনে আরো রক্ত দেব-এই যুদ্ধে আমরা জয়লাভ করব, দেশনেত্রীকে মুক্ত করব।”

এদিকে ঘটনার বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি শাহ জামান জানান, ”সন্ধ্যায় দুই দিক থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি মিছিল নিয়ে আসার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে বিএনপি প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন।”

বর্তমানে পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক এবং ঘটনাস্থলে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।