গাইবান্ধায় শ্রেষ্ঠ থানা,ওসি, এসআই,এ এস আই হিসাবে পুরস্কার পেলো গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ

142
gb

 ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা //

গাইবান্ধা জেলা পুলিশ অফিস কনফারেন্স রুমে নভেম্বর/১৮ মাসের মাসিক অপরাধ সভা আজ বেলা সাড়ে ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জেলার সাতটি থানার অফিসারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখায় শ্রেষ্ঠ থানা হিসাবে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান, শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে শান্তানুর এবং শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসাবে শওকত কে পুরস্কৃত করা হয়। গাইবান্ধার পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া তাদের এ পুরস্কৃত করেন। এ সময় গাইবান্ধা জেলা পুলিশের সকল উর্ধতন কর্মকর্তা সহ সাত থানা অফিসার ইনচার্জ উপস্থিত ছিলেন। গাইবান্ধা পৌরসভার ২ নং ওয়াডের পশ্চিম পাড়ায় ৫ তলা ভবনের ২য় তলা ভাড়াটিয়া মোঃ নেশারুল হক (রেজার) বাসায় দিনে দুপুরে চুরি। চোর ৬০০০০০।(ছয় লক্ষ) টাকা নিয়ে উধাও। থানায় এজহার দায়ের,চোর এখনো ধরা ছোয়ার বাইরে — জানা যায়,, ১৪/১২/২০১৮ তারিখে গাইবান্ধা জেলার পৌরসভাধীন পশ্চিম পাড়ায় সাজু মিয়ার ৫ তলা ভবনের ২য় তলার ভাড়াটিয়া নেশারুল হক (রেজা) ১৪-১২-২০১৮ শুক্রবার রেজা স্বপরিবার নিয়ে বিকাল ৩ ঘটিকার সময় দাওয়াত খাইতে যান,রাত ৯ ঘটিকার সময় দাওয়াত খেয়ে বাসায় ফিরে এসে দেখে প্রথম দরজা খোলা চোর অতি কৌশলে নকল চাবি দিয়ে দরজা খোলে ভিতরে প্রবেশ করে, রেজা ভিতরে ঠুকে দেখে রুমের সবকিছু লন্ডভন্ড হয়ে আছে, ২য় রুমের স্টীলের আলমারি ড্রয়ার একটি রড দিয়ে ভেঙে ৬০০০০০( ছয়লক্ষ) টাকা নিয়ে চোর উধাও, জানা যায় নেশারুল হক (রেজা) বৃহস্পতিবার কুপতলায় তার গ্রামের জায়গা বিক্রি করে ৬০০.০০০ টাকা নিয়ে তার স্ত্রীর হাতে দেয়,সে আলমারিতে তার সামনে টাকা গুলো রেখে দেয়, টাকা গুলো রাখার সময় তার বাসার কাজের বুয়া দেখে ফেলে, পরে পুলিশ সন্দেহ ভাজন কাজের বুয়াকে জিগাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। ১৪/১২/২০১৮ তারিখে বিকাল ৩ ঘটিকায় আমি ও আমার পরিবারসহ বিবাহের দাওয়াত খাওয়ার জন্য বাদীয়াখালীতে যাই, সেখান থেকে আনুমানিক রাত্রি ০৯.০০ ঘটিকায় বাসায় ফিরে দরজা খোলা দেখতে পাই,ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখি সব জিনিস পত্র এলোমেলো, পাশের রুমের একই অবস্থা, স্টীলের আলমারির তালা ভাঙ্গা, আলমারির ভিতরের ড্রয়ার খোলা দেখে আমার সবকিছু শেষ আমি কি করবো কিছু বুঝতে পারছি না, কারন, জমি বিক্রির ৬,০০,০০০/- টাকা ঐ ড্রয়ারে রাখা ছিল, টাকা গুলো চোরেরা নিয়ে গেছে। এই টাকার খবর বাসার কাজের বুয়া সুফিয়া বেওয়া(৪৫) জানতো এবং বাসার প্রতিটি ঘরের চাবী তার কাছে থাকতো বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে ১৬/১২/২০১৮ তারিখে সদর থানায় একটি চুরির মামলা করেন নেশারুল হক, (রেজা)মামলা নং – ২৪/১৮