কে এই বৃদ্ধা সাতার পাড়া স্কুলে অনাহারে মানবেতার জীবন যাপন করছেন

88

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা //

এক বৃদ্ধা ২ মাস থেকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার সাতার পাড়া বিদ্যালয়ে আছ্রায় নিয়ে সারা দিনে খেয়ে না খেয়ে মানবেতার জীবন যাপন করছেন। সরেজমিনে এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়,এই অজ্ঞাত বৃদ্ধা প্রায় ২ মাস ধরে খোলা আকাশের নিচে কখনো স্কুলের বারান্দায় অবস্থান করছেন। তার সন্তান বা স্বজনরা কেহ কোন খোজ খবর নিতে আসেনি। প্রশ্ন জাগে এই বৃদ্ধার আপন বলে কেহ কি আছে? । গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়ানের সাতার পাড়া গ্রামের সাতারপাড়া সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের বারেন্দাতে গত দুইমাস ধরে অবস্থান করছেন এই বৃদ্ধা মহিলা। এ প্রতিবেদন লেখা শনিবার পর্যন্ত কোনো খোঁজ নেয়নি তাহার আক্তীয় স্বজন বা পরিচিতজনরা।বর্তমান সময়ে এই বৃদ্ধা মহিলা খাবার পাচ্ছে কি পাচ্ছে না এমন তথ্য কেউ দিতে পারলো না। এর আগে মোস্তফাপুর গ্রামে একজনের বাড়ীতে ১ মাস ছিলেন।তার পর আপন ইচ্ছাতে স্কুলের মাঠে এসে অবস্থা করেন। তাকে তাহার কোনো স্বজন বলতে কেহ খোঁজ নিলো না এই পর্যন্ত এটা একটা অবাক করা কান্ড। বৃদ্ধার সাথে কথা বলতে গেলে সে কারও সঙে সাথে কথা বলে না। স্থানীয় জন প্রতিনিধিরাও তার সব খবর জেনেও তারা কোন খোজ খবর নিয়ে তার পরিচয় জানার চেষ্টা বা তার থাকার সুব্যাবস্থা খাবের ব্যবস্থা না করায় এলাকাবাসীরা জন প্রতিনিধিদেও ধিক্কার জানান। নিজের নাম বা বাড়ির ঠিকানা কিছুই বলে না, না বলতে পারেনা । এমন কি সে কখনো কারও কাছে নিজে থেকে খাবার চায় না।কেহ নিজের ইচ্ছা খাবর দিলে নীরবে খায়।তার কোন দাবী চাহিদা নেই।আপন মনে বেখেয়ালে কি যেন ভেবেই চলছে। নিজেকে একা থাকতেই বেশি পছন্দ করেন। সে কোন কথা বলে না, এমনকি তার ছবি তুলতে চাইলে ছবি তুলতে দেয় না মুখ ঢেকে রাখে।স্থানীয়রা বলেন: আমরা তাকে আর কত দিন খাবার দিবো আমাদের পক্ষে তো সম্ভাব না।তার নাম ঠিকানা এখনও জানা যায়নি। স্থানীয়রা জানায় আমাদের ভয় হচ্ছে সামনে শীতের আগে যদি তার কোন নিরাপদ অছ্রায়ের ব্যাবস্থা বা আপনজনদেও সন্ধান না পাওয়া যায় তাহলে তার কোন অঘটন হইলে সেই দ্বায়ভার কে নিবে।বৃদ্ধা মহিলা নিয়ামিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। এলাকার সচেতন মহল দাবী করেন যে কোনো মহান স্বহৃদয়বান ব্যক্তি যদি তাহার দায়ীত নিতেন তাহলে আমাদের আর চিন্তা থাকতো না।এলাকাবাসী আশা করে সতেচন মহৎ হৃদয়বান মহলেরর কেউ তার দায়ীত নিতে এগিয়ে আসবেন।

মন্তব্য
Loading...