“সরকারী নিয়মনীতিমালা অমান্য” ফকিরহাটে চা পান বিড়ির দোকান হতে শুরু করে মুদি দোকানেও বিক্রিয় হচ্ছে দাহ্য পদার্থ গ্যাসের সিলিন্ডার

353
gb

 পি কে অলোক,ফকিরহাট//

বাগেরহাটের ফকিরহাটে সরকারী নিয়ম নীতিমালার চবম অমান্য করে চা পান বিড়ির দোকান হতে শুরু করে মুদি দোকানেও বিক্রিয় হচ্ছে দাহ্য পদার্থ গ্যাসের সিলিন্ডার। লাইসেন্স বিহীন ও ঝুকিপুর্ণ পরিবেশে খোলা মেলা অবস্থায় বছরের পর বছর দাহ্য জাতিয় পদার্থ গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রয় করা হলেও সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর গুলি নির্বিকার রয়েছে। এতে একদিকে যেমন সরকার বছরে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছেন অন্যদিকে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের র্দুঘটনা বা পাণহানী। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবহেলা অবজ্ঞা আর উদাসিনতার কারনে ব্যাঙ্গের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে অসংখ্যা লাইসেন্স বিহিন হাজারও দোকান। জানা গেছে ডিজিটালের এই যুগে উপজেলা হাটে মাঠে ঘাঠে এমনকি লোকালে অবাধে দাহ্য জাতিয় পদার্থ গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রয় করা হচ্ছে। নিদিষ্ঠ গ্যাসের দোকান ছাড়া চা পান বিড়ির দোকান হতে শুরু করে মুদি দোকানেও বিক্রিয় করা হচ্ছে এসব গ্যাসের সিলিন্ডার। সরকারী নিয়ম নীতিমালার অমান্য করে সকল দোকানে প্রতিযোগীতা করে বিক্রয় করা হলেও দায়িত্বরত দপ্তর গুলি কোন ব্যাবস্থা গ্রহন করছেন না। গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে প্রাণহানী না ঘটলে তাদের টনক নড়বে বলেও মনে হচ্ছে না। দায়িত্বশীল সুত্রে জানা গেছে,নিয়মানুয়াযী একটি গ্যাসের দোকান করতে হলে তার নিদিষ্ট গোডাউন সহ বেশ কিছু নিয়ম কানুন থাকতে হবে। তাছাড়া ফায়ার সার্ভিস ও বিস্ফোরক অধিদপ্তর হতে নিদিষ্ট অংকের ফিস জমা দিয়ে লাইসেন্স গ্রহন করতে হবে। কিন্তু গ্যাস বিক্রয় করীরা ব্যাবসায়ীরা ফায়ার সার্ভিস ও বিস্ফোরক অধিদপ্তর হতে লরাইসেন্স নেওয়া তো দুরের কথা ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স পর্যন্ত গ্রহন করেন না। তার পরেও কি ভাবে ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় এসমস্ত গ্যাসের সিলিন্ডার বিক্রয় করছেন। ২০০৩সালের অগ্নিপ্রতিরোধ ও নির্বাপন আইন এর ৪ধারা অনুযায়ী যে কোন দাহ্য বস্তুু গুদামজাত, প্রক্রিয়াজাত, বিপনন, উৎপাদন ও সরবরাহ করার ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিস হতে লাইসেন্স নিতে হবে। অমান্য কারীকে ২০০৯সালের মোবাইল আইনে বিধিমোতাবেক ব্যাবস্থা গ্রহন করার নিদ্দেশ রয়েছে। কিন্তু তার পরেও অধিকাংশ গ্যাসের দোকানে কোন নিয়ম নীতিমালা মান্য করা হচ্ছে না। আর না করার ফলে সরকার বছরে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আয় হতেযেমন বঞ্চিত হচ্ছেন তেমনী গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে পাণহানীর আশাংখা করছেন অনেকে। সরেজমিনে অনুসন্ধ্যান করে দেখা গেছে,ফকিরহাট সদর বাজার, কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড ও টাউন নওয়াপাড়া মোড় সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার বা স্থানের কিছু গ্যাসেরদোকানে লাইসেন্স রয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ দোকানে লাইসেন্স তো দুরের কথা ট্রেড লাইসেন্সও নাই। তারা বিক্রয়ের নীতিমালাও জানেনা। অলিতে গলিতে চা পান বিড়ির দোকান হতে শুরু করে মুদি দোকানেও খোলা মেলা পরিবেশে স্কুল কলেজের গেটের সামনে ঝুকিপুর্ণ অবস্থায় বিক্রিয় করা হচ্ছে এসব দাহ্য পদার্থ গ্যাসের সিলিন্ডার। এব্যাপারে দ্রæত ব্যাবস্থা গ্রহন করা না হলে যে কোন মুর্হুত্বে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে যেতে পারে। ###