সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডার স্টেন্ডিং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- দি হার্ড রোড টু বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডডেন্স এ্যান্ড দি মিনিং অব সেভেন মার্চ শীর্ষক ল্যাকচার

529
gb

জিবিনিউজ২৪.কম || লন্ডন ||

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্টান দি সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশন ও সোয়াস সাউথ এশিয়া ইন্সটিটিউট ইউনিভারসিটি অব লন্ডন যৌথভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাট্য রাজনৈতিক জীবন, দর্শন, চিন্তা-চেতনা এবং ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে নজপ্রজন্ম সহ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের কাছে তুলে প্রথম বারের মত লন্ডনে সোয়াস ইউনিভারসিটির ব্রনি গ্যালারী ল্যাকচার থিয়েটার হলে শেখ মুজিবুর রহমান ল্যাকচার ২০১৮, আন্ডার স্টেন্ডিং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- দি হার্ড রোড টু বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডডেন্স এ্যান্ড দি মিনিং অব সেভেন মার্চ শীর্ষক একক ল্যাকচারের আয়োজন করে। ( বালাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের দুর্গম পথ এবং ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের তাৎপর্য ) । গতকাল ১০ এপ্রিল মঙ্গলবার লন্ডন সময় সন্ধ্যা ছয়ঘটিকায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাট্য রাজনৈতিক জীবন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষনা মূলক দীর্ঘ বক্তব্য প্রদান করেন ইন্সটিটিউট অব কমনওয়েলথ ষ্টাডিজের প্রফেসর জেমস ম্যানর। প্রফেসর জেমস ম্যানরের গবেষণা মূলক বক্তব্য শুনতে সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাঙ্গালী অবাঙ্গালী ,গবেষক সাংবাদিক সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার কয়েকশত মানুষ অংশ নেন, এর অধিকাংশই তরুন প্রজন্মের।
আয়োজকরা জানান যদিও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ এবং বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে পশ্চিমা বিশ্বের মানুষ সামান্যতম ধারনা রাখলেও অনেকেই এর বিষয় বস্তু সম্পর্কে সম্পুর্ণ অবগত নন। বিভিন্ন দেশের গবেষক সহ অনেকই এর অদ্যান্ত জানতে আগ্রহী। তাই সাউথ এশিয়া ইন্সটিটিউট সোয়াস-এবং সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ। ২০১৪ সাল থেকে দি সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষন নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি বৃটেন এবং বাংলাদেশে নিয়মিত সেমিনার করে আসছে।
প্রফেসর জেমস ম্যানর তার গবেষণা মূলক বক্তব্যে একটি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙখল থেকে মুক্ত করতে জাতির জন্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন উৎসর্গের বিভিন্ন খুটি নাটি তুলে ধরেন। তিনি বলেন শেখ মুজিবের জন্মের কারনে একটি জতি ফিরে পেয়েছে তাদের জাতীয় পরিচয়, স্বাধীনতা এবং এবং মুক্তি। তিনি বলেন আর এ কারণেই বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষনকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ট ভাষন হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাকিত হ্যরিটেজের অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
ভাষন শুনতে সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পুত্র রাশেদ সোহারাওয়ার্দী, লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার নাজমুল কাউনাইন সহ লন্ডস্থ বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তা বৃন্দ, প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠন যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ সহ বৃটেনে বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট জনেরা। অনুষ্টানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সোয়াস বিশ্ব বিদ্যালয়ের ডিরেক্টর প্রফেসর এডওয়ার্ড সিমসন, আয়োজকদের পক্ষ থেকে সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ার গবেষক নূরুদ্দিন আহমদ তার ধন্যবাদ জ্ঞাপন বক্তব্যে বলেন সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশন জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ইমার্চের ভাষনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষনার পাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে তুলে ধরতে কাজ করে যাচেছ। অনুষ্টানে আগতদের অনেকেই এই উদ্যোগের ভ‚য়সী প্রশংসা করেন। কয়েকজন বিদেশী জানান এর আগে তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানলেও বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের গনহত্যার ভয়াবহতা সম্পর্কে এতঅবগত ছিলেননা।