Bangla Newspaper

নির্ধারিত ফি’র তিনগুণ বেশী শিক্ষার্থীদের নিকট রেজিষ্ট্রেশন ফি আদায় করছে

178

ছাদেকুল ইসলাম রুবেল,গাইবান্ধা ||

গাইবান্ধা জেলার জুড়ে শিক্ষার্থীদের নিকট হতে বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত রেজিষ্ট্রেশন ফি ‘র তিন গুণ বেশী অর্থ নেওয়ার প্রমাণ মিলেছে। শিক্ষার্থীদের নিকট হতে অতিরিক্ত ফি আদায় করা হলেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা দেখেও দেখছে না, জেনেও না জানার ভান করে আছে। এসব দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিরব ভুমিকায় বর্তমান সরকারের শিক্ষানীতি ভেস্তে যাওয়ার আশংঙ্কায় অভিভাবক মহল উদিগ্ন হয়ে পড়েছে।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের রঘুনাথপুর এম এ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের নিকট হতে রেজিষ্ট্রেশনে অতিরিক্ত ফি আদায়ের খবরে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, অত্র বিদ্যালয়ে ১০৭ জন শিক্ষার্থী এবারে রেজিষ্ট্রেশন ফি জমা দিয়েছে। এসব শিক্ষার্থীদের নিকট হতে বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত রেজিষ্ট্রেশনের জন্য ১০০ টাকা ফির বিপরীতে ৩০০ হতে ৪ শত টাকা আদায় করা হয়েছে।এ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেনীর ৮৭ জন শিক্ষার্থীর নিকট হতে ৪ শত টাকা ফি আদায় করা হয়।
বিদ্যালয়টি ১৯৬১ সালে স্থাপিত মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৫৪১ জন। ১২ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারি রয়েছে। বিদ্যালয়টির জমির পরিমান প্রায় ৫ একর।
বিদ্যালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক জানায়,বোর্ডের আদেশ অমান্য করে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারিরা অতিরিক্ত ফি আদায় করছেন। তিনি আরো জানান, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থীদের সঠিক ভাবে ক্লাস নেওয়া হয় না। প্রতিনিয়ত বিদ্যালয়টি শিক্ষার্থী শুন্য থাকে।
অতিরিক্ত ফি আদায়ের বিষয়ের এ খবর নিশ্চিত করে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছামসুল আলম জানান, ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক শিক্ষার্থীদের নিকট হতে বোর্ড ফি ও বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ফি সহ মোট ৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অনেকেই কম দিয়েছে। সঠিক ভাবে ক্লাস না হওয়ার অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের ক্লাস সবসময় সঠিকভাবে নেওয়া হয়। আজ ৩ এপ্রিল মঙ্গলবার অত্র বিদ্যালয় হতে স্মার্ট কার্ড বিতরণের ফলে ক্লাস বন্ধ রয়েছে।
এবিষয়ে অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতি ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোজাম্মেল হক মন্ডলের সঙ্গে কথা বললে তিনি উপরোক্ত বিষয়ে পরবর্তী কথা বলবেন বলে জানান।

এ বিষয়ে কথা বলতে সদর উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারে সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে চলতি এইচ এস সি সমমান পরীক্ষার কারণে ব্যস্ত থাকায় তাকে পাওয়া যায়নি।

Comments
Loading...